অবৈধ ভিওআইপি কারবার: গ্রামীণফোনকে জরিমানা করল বিটিআরসি
অবৈধ ভিওআইপি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগে গ্রামীণফোনকে জরিমানা করেছে বিটিআরসি।
অবৈধ ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) কার্যক্রম প্রতিরোধে ব্যর্থতার অভিযোগে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনকে ১৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
বিটিআরসি জানিয়েছে, নিজস্ব নেটওয়ার্কে অবৈধ কল শনাক্ত ও বন্ধে বাধ্যতামূলক সেলফ-রেগুলেটরি ব্যবস্থা এবং টেলিকম ফ্রড ম্যানেজমেন্ট কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে পারেনি গ্রামীণফোন। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে টেলিযোগাযোগ আইন, সেলুলার মোবাইল সার্ভিসেস গাইডলাইন এবং লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জারি করা এক নোটিশে গ্রামীণফোনকে জরিমানার অর্থ আগামী ১০ দিনের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে বিটিআরসি।
বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে অবৈধ ভিওআইপি কার্যক্রমে ব্যবহৃত গ্রামীণফোনের ১৮৪টি সিম উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানার একটি মামলায় ১৬৪টি এবং চট্টগ্রামের হালিশহর থানার আরেকটি মামলায় ২০টি সিম জব্দ করা হয়।
প্রতি অবৈধ সিমের জন্য ১০ হাজার টাকা হারে জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই হিসাবে ১৮৪টি সিমের জন্য মোট ১৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বিটিআরসি বলছে, অবৈধ ভিওআইপি কার্যক্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কল পরিচালনা করা হলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারায়। এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এর আগেও গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে অবৈধ ভিওআইপি কার্যক্রমের অভিযোগ উঠেছিল। ২০২৩ সালে এক অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির ১ হাজার ৬৪০টি সিম উদ্ধার করা হয়। এর আগে ২০২২ সালেও একই ধরনের অভিযোগে গ্রামীণফোনকে ৯৯ লাখ ৬২৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল।
এ ছাড়া অবৈধ ভিওআইপির মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগে অতীতে গ্রামীণফোনকে ২০০ কোটি টাকা জরিমানার মুখেও পড়তে হয়েছিল।
বিটিআরসি জানিয়েছে, টেলিযোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
