১৩ এপ্রিল পার্বত্য তিন জেলায় সাধারণ ছুটি চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
১৩ এপ্রিল পার্বত্য তিন জেলায় সাধারণ ছুটি চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে সিদ্ধান্ত

চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে ১৩ এপ্রিল রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। অন্যত্র সংশ্লিষ্টদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটি প্রযোজ্য।

৩৮০

চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে দেশের পার্বত্য তিন জেলায় আগামী ১৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার বাসিন্দাদের জন্য এই ছুটি প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন-কোচিং সেন্টার বন্ধে কঠোর বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর নকলমুক্ত পরীক্ষায় জোর

রোববার (৫ এপ্রিল) জারি করা এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফরিদা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পার্বত্য অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘চৈত্র সংক্রান্তি’ উদযাপন উপলক্ষে এই বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, ঘোষিত ছুটি শুধুমাত্র তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য প্রযোজ্য। এসব জেলার সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি দপ্তরসমূহে এ দিন সাধারণ ছুটি পালন করা হবে।

তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বসবাসরত সংশ্লিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর সদস্যদের জন্য দিনটি ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও জানানো হয়েছে। অর্থাৎ, তারা চাইলে নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে এই দিনে ছুটি নিতে পারবেন।

চৈত্র সংক্রান্তি মূলত বাংলা বছরের শেষ দিন, যা পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎসব। এই দিনকে ঘিরে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে নানা ধর্মীয় আচার, সামাজিক অনুষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হয়।

বিশেষ করে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠী এই সময়টিতে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান, নৃত্য-গান, মেলা এবং পারিবারিক মিলনমেলার মাধ্যমে উৎসবটি উদযাপন করে থাকে। অনেক এলাকায় এটি নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবেও বিবেচিত হয়।

সরকারের এই ছুটি ঘোষণাকে স্থানীয় জনগণের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে করে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ তাদের নিজস্ব ঐতিহ্য আরও উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপনের সুযোগ পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া, পার্বত্য এলাকার সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

সব মিলিয়ে, চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে পার্বত্য অঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি এই ছুটি স্থানীয় জনগণের জন্য বাড়তি আনন্দ ও স্বস্তি নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন-স্কুল-কলেজ অনলাইন নাকি অফলাইন সিদ্ধান্ত আসছে বৃহস্পতিবার

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

আরও পড়ুন-প্রথমে কোন কোন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই চালুর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন! 🔥

👍 আমাদের অফিসিয়াল Facebook Page