শিশুর নিরাপত্তায় ঘরের কোন জিনিসগুলো নাগালের বাইরে রাখা জরুরি?
ওষুধ, রাসায়নিক ও ধারালো জিনিস সব সময় শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
শিশুরা স্বভাবগতভাবেই কৌতূহলী। হামাগুড়ি দেওয়া বা হাঁটতে শেখার পর তারা আশপাশের সবকিছু স্পর্শ করতে, ধরতে কিংবা মুখে দিতে চায়। তাই ঘরে থাকা অনেক সাধারণ জিনিসও তাদের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞরা ঝুঁকিপূর্ণ সামগ্রী সব সময় তাদের নাগালের বাইরে রাখার পরামর্শ দেন।
সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে ওষুধ নিয়ে। অনেক ওষুধের রং ও আকার শিশুর কাছে চকলেট বা ক্যান্ডির মতো মনে হতে পারে। তাই সব ধরনের ওষুধ লকযুক্ত আলমারি বা উঁচু স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত। একইভাবে ব্লিচ, ফিনাইল, টয়লেট ক্লিনার, এসিড, কীটনাশক ও অন্যান্য রাসায়নিক পরিষ্কারক শিশুর নাগালের বাইরে রাখতে হবে। এগুলো ভুলবশত খেয়ে ফেললে মারাত্মক বিষক্রিয়া হতে পারে।
এ ছাড়া ম্যাচ, লাইটার, মোমবাতি ও গ্যাসের লাইটার শিশুদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আগুন নিয়ে খেলতে গিয়ে অগ্নিকাণ্ড বা দগ্ধ হওয়ার মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ছুরি, কাঁচি, ব্লেড, সুই, স্ক্রু-ড্রাইভারসহ ধারালো জিনিসপত্রও নিরাপদ স্থানে রাখতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েন, বোতাম, মার্বেল, ছোট খেলনার অংশ, স্ক্রু, পিন ও বাটন সেল ব্যাটারি শিশুদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক ছোট বস্তুগুলোর মধ্যে অন্যতম। এগুলো মুখে দিলে শ্বাসনালীতে আটকে যেতে পারে বা গিলে ফেললে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
এ ছাড়া বৈদ্যুতিক চার্জার, মাল্টিপ্লাগ, খোলা বৈদ্যুতিক তার, গরম পানি, চা-কফির কাপ এবং রান্নার গরম পাত্র থেকেও শিশুদের দূরে রাখতে হবে। ছোট একটি অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
অভিভাবকদের উচিত ঝুঁকিপূর্ণ সব জিনিস তালাবদ্ধ আলমারি বা উঁচু স্থানে রাখা এবং শিশুদের সব সময় নজরদারিতে রাখা। সচেতনতা ও সামান্য সতর্কতাই একটি শিশুকে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারে।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
