অল্প সময় পরেই আবার ক্ষুধা? যে ৬ খাবার পেট ভরা রাখতে পারে

প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
অল্প সময় পরেই আবার ক্ষুধা? যে ৬ খাবার পেট ভরা রাখতে পারে

খাবারের পর দ্রুত ক্ষুধা লাগলে খাদ্যতালিকায় প্রোটিন ও খাদ্যআঁশসমৃদ্ধ খাবার রাখা যেতে পারে।

খাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই আবার ক্ষুধা লাগা অনেকের জন্যই পরিচিত সমস্যা। বিশেষ করে খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন, খাদ্যআঁশ বা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট না থাকলে পেট ভরা অনুভূতি বেশিক্ষণ স্থায়ী নাও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এমন কিছু খাবার রাখা যেতে পারে, যেগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে।

ডিম এমনই একটি খাবার। এতে উচ্চমানের প্রোটিন রয়েছে, যা তৃপ্তি বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। সকালের নাস্তায় সেদ্ধ ডিমের সঙ্গে সবজি বা পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার যোগ করলে খাবারটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ হতে পারে।

sib news 2026 09 26 jatio obibahito dibosh
আজ জাতীয় অবিবাহিত দিবস
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

ওটসও দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়ক হতে পারে। এতে দ্রবণীয় খাদ্যআঁশ রয়েছে, যা হজমের গতি ধীর করতে এবং তৃপ্তির অনুভূতি বাড়াতে সাহায্য করে। ওটসের সঙ্গে দুধ, টক দই বা কিছু ফল যোগ করে পুষ্টিকর নাশতা তৈরি করা যায়।

ডাল ও ছোলাতে রয়েছে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন ও খাদ্যআঁশ। তাই ভাত বা রুটির সঙ্গে পরিমাণমতো ডাল খাওয়া কিংবা সেদ্ধ ছোলা সালাদে যোগ করা যেতে পারে। এগুলো শুধু পেট ভরা রাখতেই নয়, দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগ করতেও সহায়তা করে।

টক দইও ভালো বিকল্প হতে পারে। এতে প্রোটিন থাকে এবং দইয়ের সঙ্গে ফল, ওটস বা বাদাম যোগ করলে একটি তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ খাবার তৈরি করা যায়। তবে অতিরিক্ত চিনি মেশানো ফ্লেভারড দইয়ের বদলে কম চিনি বা চিনি ছাড়া দই বেছে নেওয়া ভালো।

বাদাম  স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও খাদ্যআঁশ থাকে। অল্প পরিমাণ বাদাম নাশতা হিসেবে খেলে তৃপ্তি বাড়তে পারে। তবে বাদামে ক্যালরি বেশি থাকায় পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি।

শাকসবজি ও ফলও খাদ্যতালিকায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আঁশ ও পানিসমৃদ্ধ সবজি খাবারের পরিমাণ বাড়াতে পারে, অথচ তুলনামূলকভাবে কম ক্যালরি যোগ করে। খাবারের সঙ্গে সালাদ বা সবজি এবং নাশতায় একটি গোটা ফল রাখা যেতে পারে।

তবে বারবার ক্ষুধা লাগার কারণ শুধু খাবারের ধরন নয়। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, মানসিক চাপ, অনিয়মিত খাবারের সময়, অতিরিক্ত পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট এবং পর্যাপ্ত পানি না খাওয়াও ভূমিকা রাখতে পারে। তাই শুধু একটি নির্দিষ্ট খাবারের ওপর নির্ভর না করে পুরো খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, খাদ্যআঁশ ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের ভারসাম্য রাখা জরুরি।

আর যদি নিয়মিত পর্যাপ্ত খাবার খাওয়ার পরও অস্বাভাবিকভাবে ক্ষুধা লাগে এবং এর সঙ্গে অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব, অকারণে ওজন কমে যাওয়া বা দুর্বলতার মতো উপসর্গ থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

👍 আমাদের অফিসিয়াল Facebook Page