ভূমি রেকর্ড ও মৌজা ম্যাপ সেবার ফি পুনর্নির্ধারণ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ
ভূমি রেকর্ড ও মৌজা ম্যাপ সেবার ফি পুনর্নির্ধারণ

ভূমি রেকর্ড ও মৌজা ম্যাপ সেবার ফি পুনর্নির্ধারণ

ভূমি রেকর্ড ও মৌজা ম্যাপ সেবাকে আরও জনবান্ধব ও টেকসই করতে খতিয়ান পর্চা ও ম্যাপ সেবার ফি পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমিসেবা ডিজিটালাইজেশন মনিটরিং সেল এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে।

সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদের সই করা পরিপত্রে জানানো হয়, ভূমি সংক্রান্ত সেবা সহজীকরণ ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে সরকারি ফি ও সেবামূল্য নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপের আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সব ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।

আরও পড়ুন-অনলাইনে খতিয়ান নাম্বার দিয়ে জমির মালিকানা যাচাই করার নিয়ম (আপডেট)

খতিয়ান বা পর্চার নতুন ফি কত

পুনর্নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, যেকোনো ধরনের খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি ও অনলাইন কপির জন্য সরকারি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা। এর সঙ্গে ২০ টাকা সেবা ফি যুক্ত হয়ে মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ দাঁড়াবে ১২০ টাকা।

এর ফলে আবেদনকারী নাগরিকরা নির্দিষ্ট ফি প্রদান করে অনলাইনে খতিয়ানের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

মৌজা ম্যাপের প্রতি শিটে দিতে হবে ৫৪৫ টাকা

মৌজা ম্যাপ সেবার ক্ষেত্রেও নতুন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের মৌজা ম্যাপের প্রতি শিটের জন্য সরকারি ফি ৫২০ টাকা এবং সেবা ফি ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে প্রতি শিটের জন্য মোট ৫৪৫ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, মৌজা ম্যাপের আবেদন ও ফি পরিশোধ সম্পূর্ণভাবে অনলাইনে করতে হবে।

অনলাইনে আবেদন ও ফি পরিশোধ বাধ্যতামূলক

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ভূমি রেকর্ড ও মৌজা ম্যাপ সংক্রান্ত সব আবেদন ডিজিটাল পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হবে। আবেদনকারীদের নির্ধারিত সরকারি ফি ও সেবা ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।

ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে স্বচ্ছতা, সময় সাশ্রয় এবং ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

উপসংহার

ভূমি রেকর্ড ও মৌজা ম্যাপ সেবার ফি পুনর্নির্ধারণের মাধ্যমে সরকার একদিকে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করছে, অন্যদিকে সেবাপ্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত ও স্বচ্ছ ফি কাঠামো নিশ্চিত করছে। অনলাইনে আবেদন ও অর্থ পরিশোধ বাধ্যতামূলক হওয়ায় ভূমি সংক্রান্ত সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

👍 আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন