বারিতে বিদ্যুতের দামে নতুন হিসাব, কার্যকর হলো যে হার
বারির বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের জন্য নতুন বিদ্যুৎ মূল্যহার নির্ধারণ।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অফিস এবং অস্থায়ী এলাকায় ব্যবহৃত বিদ্যুতের খুচরা মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত হার অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের জন্য ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম আলাদা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারণ করা হয়েছে ডিমান্ড চার্জও।
বারির ভূমি ও ইমারত শাখার ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের এক স্মারকলিপিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত বিদ্যুৎ মূল্যহার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের আলোকে ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের জন্য নতুন খুচরা বিদ্যুৎ মূল্য কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে আবাসিক শ্রেণির (এলটি-এ) গ্রাহকদের জন্য ধাপভেদে বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে লাইফলাইন ০ থেকে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টায় ৫ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রথম ধাপে ০ থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের মূল্য প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ১৮ পয়সা। দ্বিতীয় ধাপে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ৮ টাকা ৫০ পয়সা, তৃতীয় ধাপে ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ৯ টাকা ১০ পয়সা এবং চতুর্থ ধাপে ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট পর্যন্ত ৯ টাকা ৬২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া পঞ্চম ধাপে ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিট পর্যন্ত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১৫ টাকা ১ পয়সা এবং ষষ্ঠ ধাপে ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট ১৭ টাকা ৭৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবাসিক শ্রেণির জন্য ডিমান্ড রেট রাখা হয়েছে প্রতি কিলোওয়াটে মাসে ৪২ টাকা।
অন্যদিকে, বাণিজ্যিক ও অফিস শ্রেণির (এলটি-ই) গ্রাহকদের জন্য ফ্ল্যাট, অফ-পিক ও পিক—এই তিন ধরনের হারে বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফ্ল্যাট সময়ে প্রতি ইউনিট ১৫ টাকা ৩৬ পয়সা, অফ-পিকে ১৩ টাকা ৮২ পয়সা এবং পিকে ১৮ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ শ্রেণির ডিমান্ড চার্জ প্রতি কিলোওয়াটে মাসে ৯০ টাকা।
অস্থায়ী এলাকার জন্য নির্ধারিত হয়েছে এলটি-টি শ্রেণির হার। এ শ্রেণিতে প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুতের মূল্য ২৩ টাকা ৮১ পয়সা এবং ডিমান্ড চার্জ প্রতি কিলোওয়াটে মাসে ১২০ টাকা রাখা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত বিদ্যুৎ মূল্যহার অনুযায়ী বারির সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন শাখা, কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হার কার্যকর করা হবে। বিদ্যুতের মূল্য পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সংশ্লিষ্ট আদেশ ও বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত মূল্যহার বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
নথিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ, ফিক্সড চার্জ ও অনুমোদিত লোডের বিষয়েও উল্লেখ রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সক্ষমতা অনুযায়ী সংযোগ ব্যবহারের পাশাপাশি অনুমোদিত লোডের সীমাও বিবেচনায় রাখতে হবে।
বারির সংশ্লিষ্ট শাখা, কর্মকর্তা ও দপ্তরগুলোকে নতুন নির্ধারিত মূল্যহারের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
