চলতি বছর ৪১ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড, জানালেন প্রধানমন্ত্রী
চলতি বছর ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
চলতি বছরই দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে এবং দেশের ১৩০টি গ্যাসকূপ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্ভুক্ত মসজিদ ও মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে অনুদানের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা এখন বৈশ্বিক সংকটে পরিণত হয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। সরকার এ সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। একই সঙ্গে দেশের ১৩০টি গ্যাসকূপ অনুসন্ধানের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।
জ্বালানি খাতের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তেল, বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। যারা অবৈধ ও অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবৈধভাবে কাউকে ব্যবহার বা নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। অতীতে রাষ্ট্রের সম্পদ ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে কেউ রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়েও নতুন তথ্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, চলতি বছরেই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। এর আগে সরকার জানিয়েছিল, প্রথম ধাপে ৪১ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশের আরও বিপুলসংখ্যক পরিবারকে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আগামী কয়েক বছরে দেশের সব পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যও জানানো হয়েছিল।
এদিকে ঢাকা-১৭ আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২৮টি মসজিদকে ২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক দেওয়া হয়। পাশাপাশি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১০টি মন্দিরকে ৩ লাখ টাকা করে মোট ৩০ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে সহযোগিতা এবং শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে এসব আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মসজিদ ও মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে একদিকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতা বাড়ানোর পরিকল্পনা, অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপের বিষয়টি উঠে আসে। বিশেষ করে ১৩০টি গ্যাসকূপ অনুসন্ধানের উদ্যোগকে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
