পদ্মা ব্যারেজ উদ্বোধনের সময় জানালেন পানিসম্পদমন্ত্রী
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে যেকোনো সময়ে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের উদ্বোধন হতে পারে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের দক্ষিণ, পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ২৪টি জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তরের পাশাপাশি কৃষি, বিদ্যুৎ ও মৎস্য উৎপাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পানিসম্পদমন্ত্রী।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের একটি ‘মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প’। এটি বাস্তবায়ন হলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে কৃষি বিপ্লব ঘটবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও মাছের উৎপাদন বাড়বে এবং আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা যুক্ত হবে।
তিনি বলেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে যেকোনো সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারেন। এ সময় রাজবাড়ীর মানুষের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অভিনন্দনও জানান তিনি।
পানিসম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হবে। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের সুযোগ তৈরি হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, বিএনপি তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করেছিল। এখন সেই প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
প্রকল্প পরিদর্শনের সময় পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন-অর-রশিদ হারুন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া এবং কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি মো. আসলাম মিয়াসহ সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত ১৩ মে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পদ্মা ব্যারেজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এর আওতাভুক্ত অঞ্চলে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
