২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,১০৬

স্বাস্থ্য প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,১০৬

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১০৬ জন শিশু হাম বা হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রোববার (৫ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হলেও নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরীক্ষা ও মূল্যায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১ হাজার ১০৬ জন শিশু হাম অথবা হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে যেসব শিশুর টিকাদান সম্পূর্ণ হয়নি বা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম, তারা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, শিশুর জ্বর, শরীরে লালচে র‍্যাশ, কাশি, সর্দি বা চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। নিজে থেকে ওষুধ সেবন না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হাম প্রতিরোধে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, হামের উপসর্গ দেখা দিলেই আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সময়মতো চিকিৎসা ও যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

👍 আমাদের অফিসিয়াল Facebook Page