দেশে বৈধ মোবাইল সিম রয়েছে কত, জানালেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

প্রকাশিত: 09-06-2026 8:06 AM
দেশে বৈধ মোবাইল সিম রয়েছে কত

দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ইন্টারনেট ব্যবহার, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন কেনাকাটা, ডিজিটাল সেবা গ্রহণ এবং দৈনন্দিন যোগাযোগের জন্য এখন মোবাইল সংযোগ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে বর্তমানে দেশে বৈধভাবে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা কত, সে বিষয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে।

আরও পড়ুন-আপনার মোবাইল সিম কি আপনাকে গোপনে ট্র্যাক করছে?

এবার সেই তথ্যই প্রকাশ করেছেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে দেশের মোবাইল অপারেটর ও নিবন্ধিত সিমসংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি জানতে চান, বর্তমানে দেশে কতটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং এসব প্রতিষ্ঠানের বৈধ নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা কত। জবাবে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে চারটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি সেবা দিচ্ছে।

এসব প্রতিষ্ঠান হলো— টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড। দেশের কোটি কোটি গ্রাহক এসব অপারেটরের মাধ্যমে ভয়েস কল, মোবাইল ইন্টারনেট এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করছেন।

লিখিত জবাবে মন্ত্রী জানান, চারটি মোবাইল অপারেটরের অধীনে বর্তমানে বৈধভাবে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ। বায়োমেট্রিক নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালুর পর থেকে সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার তুলনায় বেশি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। কারণ একজন ব্যবহারকারী ব্যক্তিগত যোগাযোগ, ব্যবসায়িক কাজ, মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যবহার কিংবা বিভিন্ন ডিজিটাল সেবার জন্য একাধিক সিম ব্যবহার করে থাকেন। ফলে মোট নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে ডিজিটাল সেবার বিস্তার এবং স্মার্টফোন ব্যবহারের হার বৃদ্ধির কারণে মোবাইল সংযোগের চাহিদা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন শিক্ষা, ই-কমার্স এবং সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের ফলে নতুন সিম নিবন্ধনের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বর্তমানে গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংক দেশের বেসরকারি খাতের প্রধান মোবাইল অপারেটর হিসেবে সেবা দিচ্ছে। অন্যদিকে টেলিটক দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। চারটি প্রতিষ্ঠানই দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

টেলিযোগাযোগ খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় পরিচয়পত্রভিত্তিক বায়োমেট্রিক নিবন্ধন চালুর ফলে অবৈধ সিম ব্যবহার অনেকাংশে কমেছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকি হ্রাস এবং গ্রাহক পরিচয় নিশ্চিত করতেও এই ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য সরকার নির্ধারণ করেছে, তা বাস্তবায়নে মোবাইল সংযোগ এবং ইন্টারনেট সেবার গুরুত্ব আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে আগামী বছরগুলোতে বৈধ নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যাও আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

সূত্র:জাতীয় সংসদ

আরও পড়ুন-বাংলালিংক POWER অ্যাপে রিচার্জ করলেই জেতার সুযোগ স্মার্ট টিভিসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন! 🔥

স্টাফ রিপোর্টার

স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে আমি 'টেক বাংলা নিউজ' (ssitbari.com)-এ নিয়মিত বিভিন্ন তথ্যভিত্তিক ও আপডেটেড কনটেন্ট প্রকাশ করি। প্রযুক্তি, মোবাইল, গ্যাজেটসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয় সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে তুলে ধরা আমার লক্ষ্য। নির্ভরযোগ্য তথ্য, বিশ্লেষণ ও উপকারী টিপসের মাধ্যমে পাঠকদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করি।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now