সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরে দীর্ঘদিন ধরে থাকা শূন্যপদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের সেবা আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় পদগুলোতে যত দ্রুত সম্ভব নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন- জর্ডানে ২০৩ নারী কর্মী নেবে বোয়েসেল, হবে সরাসরি সাক্ষাৎকার
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পদ বর্তমানে খালি রয়েছে। এসব পদে জনবল নিয়োগ করা হলে সরকারি সেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত সেবা পাবে। এ কারণে বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে।
সংসদে দেওয়া তথ্যে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের শূন্যপদ পূরণের কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থায় বর্তমানে শূন্যপদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জনকে নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়াগুলো দ্রুত শেষ করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংসদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনিক সেবার মানোন্নয়নের পাশাপাশি উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয়ের বিষয়েও কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের উন্নয়ন ও জনসেবার ক্ষেত্রে সরকার দলীয় ও বিরোধী দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে কোনো বৈষম্য করতে চায় না।
প্রধানমন্ত্রী জানান, স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্প ও সরকারি সহযোগিতা বণ্টনের ক্ষেত্রে সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদ পূরণ না হওয়ায় জনসেবা কার্যক্রমে চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে নতুন নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হলে একদিকে যেমন চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে সরকারি সেবার গতি ও দক্ষতাও বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন- বিদেশে ক্যারিয়ার গড়তে চান? সুযোগের দিক থেকে এগিয়ে যে ৭ দেশ










