আমাদের Telegram চ্যানেলে যুক্ত হোন

ঈদুল আজহায় অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটবেন যেভাবে

ঈদুল আজহায় অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটবেন যেভাবে

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রতি বছরের মতো এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। ফলে যাত্রীরা ঘরে বসেই মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের মাধ্যমে সহজে ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন।

আরও পড়ুন-অনলাইনের মাধ্যমে বাসের টিকিট কাটার নিয়ম ২০২৬ (আপডেট)

ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর ট্রেনে যাত্রীর চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ আসন শেষ হয়ে যায়। তাই আগেভাগেই অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং Rail Sheba অ্যাপ ব্যবহার করে টিকিট কাটা যায়। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা সহজেই গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

টিকিট কাটার জন্য প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এজন্য ওয়েবসাইট বা অ্যাপে প্রবেশ করে “রেজিস্ট্রেশন” অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নাম, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরণ করতে হবে।

রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (OTP) পাঠানো হবে। সেটি সঠিকভাবে ভেরিফাই করলে অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে যাবে। এরপর ব্যবহারকারী ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে পারবেন।

লগইনের পর যাত্রার তারিখ, কোথা থেকে কোথায় যেতে চান এবং কোন শ্রেণির আসন প্রয়োজন—এসব তথ্য নির্বাচন করতে হবে। এরপর “Find Ticket” অপশনে ক্লিক করলে নির্ধারিত রুটের ট্রেনগুলোর তালিকা দেখা যাবে।

পরবর্তী ধাপে ট্রেনের নাম, ছাড়ার সময় এবং আসন খালি আছে কিনা তা দেখা যাবে। পছন্দের ট্রেন নির্বাচন করে “View Seats” অপশনে গিয়ে খালি থাকা আসন বেছে নিতে হবে। এরপর “Continue Purchase” বাটনে ক্লিক করে পেমেন্ট ধাপে যেতে হবে।

বর্তমানে অনলাইনে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করা যাচ্ছে ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে। বিশেষ করে bKash, নগদসহ বিভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সহজেই টাকা পরিশোধ করা যায়।

পেমেন্ট সফল হলে সঙ্গে সঙ্গে একটি ই-টিকিট ডাউনলোড হবে এবং একই সঙ্গে ব্যবহারকারীর ই-মেইলেও টিকিটের কপি পাঠানো হবে। যাত্রীরা চাইলে মোবাইলে ই-টিকিট সংরক্ষণ করতে পারবেন অথবা প্রিন্ট করে রাখতে পারবেন।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থা চালুর ফলে টিকিট কালোবাজারি অনেকটাই কমেছে। একই সঙ্গে যাত্রীরা ঘরে বসেই দ্রুত টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। তবে ঈদের সময় অতিরিক্ত চাপের কারণে ওয়েবসাইট বা অ্যাপে সাময়িক ধীরগতি দেখা দিতে পারে। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই লগইন করে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ধাপ ১:বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা Rail Sheba অ্যাপে প্রবেশ করুন।

ধাপ ২:“রেজিস্ট্রেশন” অপশনে গিয়ে মোবাইল নম্বর, এনআইডি ও ই-মেইল দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।

ধাপ ৩:মোবাইলে আসা OTP কোড ভেরিফাই করুন।

ধাপ ৪:ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।

ধাপ ৫:যাত্রার তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন, গন্তব্য ও শ্রেণি নির্বাচন করুন।

ধাপ ৬:“Find Ticket” এ ক্লিক করে পছন্দের ট্রেন নির্বাচন করুন।

ধাপ ৭:“View Seats” থেকে খালি আসন বেছে নিন।

ধাপ ৮:“Continue Purchase” এ ক্লিক করে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।

ধাপ ৯:ই-টিকিট ডাউনলোড করুন এবং ই-মেইলে পাওয়া কপি সংরক্ষণ করুন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল টিকিটিং ব্যবস্থা যাত্রীসেবায় বড় পরিবর্তন এনেছে। এতে স্টেশনে ভিড় কমার পাশাপাশি সময়ও সাশ্রয় হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও উন্নত সার্ভার ও প্রযুক্তি যুক্ত হলে অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থা আরও সহজ ও নির্ভরযোগ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, ঈদুল আজহায় বাড়ি ফেরার যাত্রা সহজ করতে অনলাইন ট্রেন টিকিটিং এখন সবচেয়ে কার্যকর উপায়। আগে থেকেই রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে রাখলে টিকিট কাটার সময় ঝামেলা অনেকটাই কমে যাবে।

সূত্র: বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন টিকিটিং নির্দেশনা ও যাত্রীসেবা তথ্য।

আরও পড়ুন-অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নতুন নিয়ম ২০২৬ (আপডেট)

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন! 🔥

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now