মাত্র একবার পড়লেই বহু জিকিরের সমান সওয়াব, যে দোয়া শিখিয়েছিলেন রাসুল (সা.)
?????????????????????????????????????????????????????????????????????????
অনেক মুসলমানই প্রতিদিন জিকির-আজকারের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। তবে হাদিসে এমন কিছু সংক্ষিপ্ত দোয়ার কথা এসেছে, যেগুলো অল্প সময়ে পাঠ করেও অনেক সওয়াব লাভ করা যায়। তেমনি একটি দোয়া শিখিয়েছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।
আরও পড়ুন- মসজিদে নববীর সবুজ গম্বুজের ইতিহাস, যেভাবে পেল বর্তমান রূপ
দোয়াটি
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ: عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ
উচ্চারণ:
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি আদাদা খালকিহি, ওয়া রিদা নাফসিহি, ওয়া জিনাতা আরশিহি, ওয়া মিদাদা কালিমাতিহি।
অর্থ:
আমি আল্লাহর পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করছি—তাঁর সৃষ্টির সংখ্যা পরিমাণ, তাঁর সন্তুষ্টি অনুযায়ী, তাঁর আরশের ওজন পরিমাণ এবং তাঁর বাণীর কালির পরিমাণ।
হাদিসে যা এসেছে
হজরত জুওয়াইরিয়াহ (রা.) বর্ণনা করেন, একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) ভোরে তাঁর ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দেখেন তিনি নামাজের স্থানে বসে জিকিরে মগ্ন আছেন। পরে চাশতের সময় ফিরে এসেও তাঁকে একই অবস্থায় দেখতে পান।
তখন রাসুল (সা.) তাঁকে বলেন, তিনি ঘর থেকে বের হওয়ার পর চারটি বাক্য তিনবার পাঠ করেছেন। সেই বাক্যগুলো যদি সকাল থেকে তখন পর্যন্ত জুওয়াইরিয়াহ (রা.)-এর সব জিকিরের সঙ্গে ওজন করা হয়, তবে এ দোয়ার সওয়াব বেশি ভারী হবে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ইসলামে শুধু দীর্ঘ ইবাদত নয়, বরং অর্থবহ ও আন্তরিক জিকিরেরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই দোয়াটি আল্লাহর মহিমা, পবিত্রতা ও প্রশংসার এমন ব্যাপক বর্ণনা বহন করে, যা একজন মুমিনের ঈমানি চেতনা আরও দৃঢ় করতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, সকাল-সন্ধ্যার জিকিরের অংশ হিসেবে এই দোয়াটি নিয়মিত পাঠ করা উত্তম। অল্প সময়ে অধিক সওয়াব লাভের আশায় অনেক মুসলমান এই দোয়াটি প্রতিদিন আমল করে থাকেন।
হাদিসের সূত্রঃ হজরত জুওয়াইরিয়াহ (রা.) থেকে বর্ণিত।
গ্রন্থঃ সহিহ মুসলিম
তথ্যসূত্রঃ সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৬৮০৬
আরও পড়ুন- ধর্ষণ প্রমাণে কি চার সাক্ষী বাধ্যতামূলক, কী বলে ইসলাম?
