নির্বাচনি প্রচারণায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার নিষিদ্ধ, মানতে হবে যেসব নিয়ম
নির্বাচনি প্রচারণায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার ও উসকানিমূলক বক্তব্যে নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রচারণাকালে উসকানিমূলক বক্তব্য, ব্যক্তিগত কুৎসা, অশালীন ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে—এমন বক্তব্য দেওয়া যাবে না।
সম্প্রতি প্রকাশিত নির্বাচনি আচরণবিধিতে এসব বিধিনিষেধের কথা জানানো হয়েছে।
আচরণবিধিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণাকালে কোনো প্রার্থী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ব্যক্তিগত কুৎসা রটনা, অশালীন, আক্রমণাত্মক বা ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে বক্তব্য দিতে পারবেন না।
এ ছাড়া কোনো ধরনের তিক্ত, উসকানিমূলক, মানহানিকর কিংবা লিঙ্গ, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে—এমন বক্তব্য দেওয়া যাবে না।
নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী, মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জাসহ কোনো ধর্মীয় উপাসনালয় এবং সরকারি অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের নির্বাচনি প্রচারণা চালানো যাবে না।
তবে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত না হলে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদন থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহারের সুযোগ থাকতে পারে।
আচরণবিধিতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন উপলক্ষে কোনো নাগরিকের জমি, ভবন বা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতি করা যাবে না।
এ ছাড়া অনভিপ্রেত গোলযোগ সৃষ্টি বা উচ্ছৃঙ্খল আচরণের মাধ্যমে কারও শান্তি নষ্ট করা যাবে না।
কোনো প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে বলপ্রয়োগ বা অর্থ ব্যয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পাশাপাশি ভোটার বা তাদের পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত এনআইডি নম্বর সংগ্রহ এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) লেনদেনের উদ্দেশ্যে মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
