আমাদের Telegram চ্যানেলে যুক্ত হোন

জমি খারিজ করতে কত টাকা লাগে?হালনাগাদ ফি ও আবেদন

প্রকাশিত: 29-04-2026 9:04 PM
জমি খারিজ করতে কত টাকা লাগে

বাংলাদেশে জমি কেনা বা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়ার পর মালিকানা হালনাগাদ করতে নামজারি বা খারিজ করা বাধ্যতামূলক। অনেকেই মনে করেন এই প্রক্রিয়াটি জটিল ও ব্যয়বহুল, কিন্তু বাস্তবে সরকারি নির্ধারিত ফি অনুযায়ী খরচ তুলনামূলক কম এবং পুরো প্রক্রিয়াটি এখন অনলাইনে সম্পন্ন করা যায়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, খারিজ বা নামজারির সরকারি মোট খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ১,১৭০ টাকা।

আরও পড়ুন-ভূমি সেবা অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন ও রিসেট এখন আরও সহজ

এই প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করে Ministry of Land Bangladesh-এর অধীনে পরিচালিত অনলাইন সেবা। বর্তমানে আবেদনকারীরা ঘরে বসেই e-Mutation System Bangladesh ব্যবহার করে আবেদন করতে পারছেন, ফলে সময় ও ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে।

সরকারি ফি কাঠামো অনুযায়ী, নামজারি করতে কয়েকটি নির্দিষ্ট খাতে টাকা দিতে হয়। আবেদন ফি ২০ টাকা, নোটিশ জারি ফি ৫০ টাকা, রেকর্ড সংশোধন ফি ১,০০০ টাকা এবং খতিয়ান সরবরাহ ফি ১০০ টাকা—সব মিলিয়ে মোট ১,১৭০ টাকা। আবেদন করার সময় প্রাথমিকভাবে ৭০ টাকা পরিশোধ করতে হয় এবং আবেদন অনুমোদিত হলে বাকি ১,১০০ টাকা ডিসিআর (DCR) ফি হিসেবে জমা দিতে হয়।

আবেদন করতে হলে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘ই-নামজারি’ অপশনে ক্লিক করতে হয়। এরপর আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, জমির বিবরণ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করতে হয়। সাধারণত প্রয়োজন হয় মূল দলিলের স্ক্যান কপি, বায়া দলিল, সর্বশেষ খতিয়ান (RS বা BS), খাজনা পরিশোধের রশিদ (দাখিলা) এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি।

আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস থেকে যাচাই-বাছাই শুরু হয়। এই সময় আবেদনকারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নোটিশ জারি করা হয় এবং প্রয়োজনে মাঠ পর্যায়ে তদন্তও করা হতে পারে। সবকিছু সঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়।

সাধারণত পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে প্রায় ২৮ দিন সময় লাগে। তবে কাগজপত্রের সঠিকতা, জমির জটিলতা এবং সংশ্লিষ্ট অফিসের কাজের চাপের ওপর সময় কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

ভূমি সংশ্লিষ্ট সেবা নিয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে অনেকেই দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের হয়রানির অভিযোগ করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সরাসরি অনলাইনে আবেদন করলে অতিরিক্ত খরচ ও হয়রানি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

এছাড়া বর্তমানে বিকাশ, রকেট বা নগদের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অনলাইনেই ফি পরিশোধ করা যায়, যা পুরো প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করেছে।

সংক্ষেপে বলা যায়, জমি খারিজ বা নামজারি করতে সরকারি খরচ নির্দিষ্ট এবং স্বচ্ছ। সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন করলে অল্প সময় ও কম খরচেই এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব।

সূত্র: ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-নামজারি সেবা সংক্রান্ত তথ্য, সরকারি ফি কাঠামো ও অনলাইন সেবা নির্দেশিকা।

আরও পড়ুন-জমির দলিল সংশোধন করার কারন

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉টেক নিউজের সকল খবর সবার আগে পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন!

👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন! 🔥

স্টাফ রিপোর্টার

স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে আমি 'টেক বাংলা নিউজ' (ssitbari.com)-এ নিয়মিত বিভিন্ন তথ্যভিত্তিক ও আপডেটেড কনটেন্ট প্রকাশ করি। প্রযুক্তি, মোবাইল, গ্যাজেটসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয় সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে তুলে ধরা আমার লক্ষ্য। নির্ভরযোগ্য তথ্য, বিশ্লেষণ ও উপকারী টিপসের মাধ্যমে পাঠকদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করি।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now