পার্বত্য সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মিলল কাঠ ইয়াবা ও চোরাই শুঁটকি

প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
পার্বত্য সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মিলল কাঠ ইয়াবা ও চোরাই শুঁটকি

বিজিবির পৃথক অভিযানে উদ্ধার করা অবৈধ কাঠ, ইয়াবা ও শুঁটকি।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান ও তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১৯ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ, ইয়াবা ও চোরাচালানের মাধ্যমে পাচারের সময় নেওয়া শুঁটকি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত ৩ ও ৪ অক্টোবর সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত এসব অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দ করা হয় কাঠ, মাদক ও অন্যান্য পণ্য। এ সময় একটি পিকআপ ও একটি মাহিন্দ্র গাড়িও তল্লাশি করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদীর নেতৃত্বে বড়ইছড়ি রেশমবাগান এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি পিকআপে থাকা ১০০ ঘনফুট সেগুন গোলকাঠের সন্ধান পাওয়া যায়। কাঠগুলো মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দ করা হয়। জব্দ করা কাঠ ও গাড়ির আনুমানিক সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

একই ব্যাটালিয়নের ঢংছড়ি ক্যাম্পের একটি টহল দল নাযারন গিরি এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে ১৬ দশমিক ১৫ ঘনফুট গামারি গোলকাঠ আটক করা হয়। উদ্ধার করা কাঠের আনুমানিক সিজার মূল্য ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। পরে জব্দকৃত কাঠগুলো রাইখালী বনবিটে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

অন্যদিকে, যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি)-এর ঝর্ণাটিলা ক্যাম্পের টহল দল গোরাঙ্গপাড়া তিন রাস্তার মোড় এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। বিজিবির হিসাবে উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক সিজার মূল্য ৯০ হাজার টাকা।

এ ছাড়া পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)-এর গিলাতলী বিওপির সদস্যরা ওয়াই জংশন চেকপোস্টে যানবাহনে তল্লাশি চালান। তল্লাশির একপর্যায়ে একটি মাহিন্দ্র গাড়ি থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া ৬৪ কেজি বহির্মুখী চ্যাপা শুঁটকি জব্দ করা হয়। এসব শুঁটকির আনুমানিক সিজার মূল্য ৭৬ হাজার ৮০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবি সূত্রের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, পৃথক অভিযানে জব্দ করা কাঠ, ইয়াবা ও শুঁটকির মোট সিজার মূল্য প্রায় ১৯ লাখ টাকা। সীমান্তপথে অবৈধভাবে কাঠ পাচার, মাদক পরিবহন ও বিভিন্ন পণ্য চোরাচালান ঠেকাতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সরকারি ও প্রাকৃতিক সম্পদ পাচার রোধে নিয়মিতভাবে নজরদারি ও অভিযান চালানো হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বাহিনীর জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

👍 আমাদের অফিসিয়াল Facebook Page