বিদ্যুৎ বাঁচাতে সরকারি দপ্তরে নতুন নির্দেশনা, বদলাবে যা

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎ বাঁচাতে সরকারি দপ্তরে নতুন নির্দেশনা, বদলাবে যা

ঝুঁকিপূর্ণ ও অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক কেবল সরানোর নির্দেশ

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের দেওয়া নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের পাশাপাশি সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের করিডোর, বারান্দা এবং ভবনের আশপাশে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ, অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক কেবল অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈদ্যুতিক কেবল নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে স্থাপন ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা এক চিঠিতে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। চিঠিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি নির্দেশনাগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অবহিত করার কথা বলা হয়েছে।

নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি নির্দেশনাসমূহের কার্যকর বাস্তবায়ন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বিশেষভাবে মন্ত্রণালয় বা বিভাগের করিডোর, বারান্দা ও ভবনের আশপাশে ব্যবহৃত ঝুঁকিপূর্ণ, অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক কেবলসহ অন্যান্য কেবল অপসারণের কথা বলা হয়েছে। এসব কেবল অপসারণের পর নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে স্থাপন ও ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে অবহিত করার বিষয়টি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একই নির্দেশনা কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নথির সংযুক্ত অংশে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা বিদ্যুৎ সাশ্রয়সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনা ও কমিটি গঠন-সংক্রান্ত একটি পত্রের উল্লেখ রয়েছে। শ্রম মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে ওই নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বরের চিঠিটি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে জারি করা হয়। এতে মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের অবহিত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনুলিপির তালিকায় শ্রম অধিদপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, কেন্দ্রীয় তহবিল, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন এবং নিম্নতম মজুরি বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের নাম রয়েছে।

এর আগে সংযুক্ত মূল নির্দেশনাটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ শাখা থেকে ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা হয়েছিল। সেই নির্দেশনার আলোকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ১৭ সেপ্টেম্বর অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অবহিত করেছে।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে – ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

👍 আমাদের অফিসিয়াল Facebook Page