নওগাঁর পত্নীতলায় তিন দিন নিখোঁজের পর ডোবায় মিলল বাবুলের মরদেহ
পত্নীতলায় তিন দিন নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ ডোবা থেকে উদ্ধার
নওগাঁর পত্নীতলায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ থাকা বাবুল (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ফহিমপুর এলাকার একটি ডোবা থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত বাবুল পত্নীতলা উপজেলার পদ্মপুকুর পূর্বপাড়া গ্রামের আজগর আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাচ্ছিলেন না। এ অবস্থায় বুধবার দুপুরে ফহিমপুর এলাকায় একটি ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় এক ব্যক্তি বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফহিমপুর গ্রামের একটি গ্রামীণ সড়কের পাশের ডোবায় মরদেহটি দেখতে পান আমির আলীর ছেলে সামসুল। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পত্নীতলা থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। সেখানে নিহতের ছেলে শাহিন মরদেহটি তার বাবা বাবুলের বলে শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করে।
পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিয়ামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরিফুল ইসলাম এবং তিনি নিজেও।
তবে বাবুল কীভাবে ওই ডোবায় গেলেন, তার মৃত্যুর কারণ কী এবং ঘটনাটির সঙ্গে কোনো অপরাধের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খতিয়ে দেখছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত ও পরবর্তী কার্যক্রমের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
