এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে-স্কেল নিয়ে যে সুখবর দিলেন মন্ত্রী
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন নিয়ে কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী।
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নবম জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় আসবেন। এ জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন জারির কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। আরেকটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’
এর আগে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের পর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আনার কথা জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত জনবলের ক্ষেত্রে আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতির প্রয়োজন হবে। সম্মতি পাওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
গত ১ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নতুন বেতন কাঠামোতে বেতন দেওয়া হবে। এরপর থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষায় রয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।
সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সারা দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীনে প্রায় চার লাখ, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পৌনে দুই লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি হলে নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে এগিয়ে যাবে। তবে সোমবার পর্যন্ত সেই প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। ফলে এখন অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
