জমির খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) পরিশোধ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, দ্রুত ও ডিজিটাল করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ সেবা ক্যাম্প আয়োজন করা হচ্ছে, যেখানে নাগরিকদের অনলাইনে প্রোফাইল তৈরি করার সুযোগ দেওয়া হবে।
সরকারি ঘোষণায় জানানো হয়েছে, আগামী ৭ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার নাগরিকদের জমির খাজনা পরিশোধের জন্য অনলাইন প্রোফাইল তৈরি করতে হবে।
আরও পড়ুন-খাজনা দিতে খতিয়ান যুক্ত করার নিয়ম(আপডেট)
ভূমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডিজিটাল ভূমি সেবা নিশ্চিত করতে প্রত্যেক জমির মালিককে একটি অনলাইন প্রোফাইলের আওতায় আনা জরুরি। এই প্রোফাইলের মাধ্যমেই ভবিষ্যতে খাজনা প্রদান, জমির তথ্য যাচাই এবং অন্যান্য ভূমি সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ করা যাবে।
এই কার্যক্রমের আওতায় ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে বিশেষ ক্যাম্প বসানো হবে। সেখানে উপস্থিত হয়ে নাগরিকরা সহজেই তাদের প্রোফাইল তৈরি করতে পারবেন। এজন্য নির্দিষ্ট কিছু কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।
প্রোফাইল তৈরির জন্য প্রয়োজন হবে—জমির খাজনার রসিদ, খতিয়ান (দলিল বা পট্টা), জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য। এসব তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে আবেদনকারীর নামে একটি ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় নাগরিকরা জমির সঠিক তথ্য বা খাজনা সংক্রান্ত নথি ঠিকভাবে সংরক্ষণ করেন না। ফলে বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি হবে, যা ভবিষ্যতে এসব সমস্যার সমাধান করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমি সেবায় ডিজিটালাইজেশন দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করবে। একই সঙ্গে দুর্নীতি ও হয়রানিও কমবে। নাগরিকরা ঘরে বসেই অনলাইনে খাজনা পরিশোধসহ অন্যান্য সেবা নিতে পারবেন।
এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সরকার প্রাথমিকভাবে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জেলাকে বেছে নিয়েছে—ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর। পরবর্তীতে সফলতা বিবেচনায় দেশের অন্যান্য জেলাতেও এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানা গেছে।
ভূমি মন্ত্রণালয় নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ প্রোফাইল তৈরি করতে। এতে ভবিষ্যতে জমি সংক্রান্ত যেকোনো সেবা গ্রহণ আরও সহজ হবে।
সব মিলিয়ে, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এতে নাগরিক সেবার মান যেমন বাড়বে, তেমনি সময় ও খরচও কমবে।
সূত্র :-ভূমি অফিসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
আরও পড়ুন-জমির মামলা থেকে বাঁচতে আগে থেকেই যেসব কাজ করবেন
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔










