আমাদের Telegram চ্যানেলে যুক্ত হোন

দীর্ঘ চার বছর পর আবারও নিলামে উঠছে ৭৬ যানবাহন ১৭ মে শুরু বিক্রি

প্রকাশিত: 14-05-2026 10:45 PM
দীর্ঘ চার বছর পর আবারও নিলামে উঠছে ৭৬ যানবাহন ১৭ মে শুরু বিক্রি

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সাধারণ নিলামের আয়োজন করতে যাচ্ছে দিনাজপুরের হিলি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন সময় জব্দ ও সংরক্ষিত থাকা মোট ৭৬টি যানবাহন বিক্রির জন্য আগামী ১৭ মে নিলামের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। কাস্টমস চত্বরে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই নিলাম কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আরও দেখুন-সরকারি নিলামের গাড়ি কেনার নিয়ম ২০২৬ আপডেট

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, এবারের নিলামে মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, ইজি বাইক এবং প্যাডেল ভ্যানসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১২টি মোটরসাইকেল, ৬২টি বাইসাইকেল, একটি ইজি বাইক এবং একটি প্যাডেল ভ্যান। দীর্ঘদিন ধরে কাস্টমসের হেফাজতে থাকা এসব যানবাহন নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমদানি-রপ্তানি কেন্দ্র হওয়ায় এখানে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও যানবাহন জব্দ করা হয়। কাস্টমস আইনের আওতায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মালামাল খালাস না হলে কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে জটিলতা থাকলে সেগুলো কাস্টমসের হেফাজতে চলে যায়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিলামের মাধ্যমে সেসব পণ্য বিক্রি করা হয়। এতে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বাড়ে, তেমনি দীর্ঘদিন পড়ে থাকা মালামালও ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের নিলামে অংশ নিতে আগ্রহীদের জন্য নির্ধারিত সিডিউলের মূল্য রাখা হয়েছে ৩০০ টাকা। ইতোমধ্যে নিলাম ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। শেষ দিন পর্যন্ত মোট ১০৬টি সিডিউল বিক্রি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, নিলামের দিনে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

হিলি কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, সর্বশেষ ২০২২ সালে সাধারণ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রায় চার বছর পর আবারও এই আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন পর নিলাম আয়োজন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। গত ১৪ মে টেন্ডার ড্রপিংয়ের শেষ দিনে মোট ১০৬টি সিডিউল বিক্রি হয়েছে।”

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাস্টমসের নিলামে তুলনামূলক কম দামে যানবাহন কেনার সুযোগ থাকায় অনেকেই এতে আগ্রহী হন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ইজি বাইকের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি থাকে। তবে নিলামে অংশ নেওয়ার আগে ক্রেতাদের যানবাহনের অবস্থা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং পরবর্তী নিবন্ধন সংক্রান্ত বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশে বিভিন্ন কাস্টমস হাউস ও স্থলবন্দরে নিয়মিতভাবে নিলাম আয়োজন করা হলেও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এমন আয়োজনকে কেন্দ্র করে বাড়তি আগ্রহ দেখা যায়। কারণ এসব নিলামে অনেক সময় কম ব্যবহৃত বা তুলনামূলক ভালো অবস্থার যানবাহন পাওয়া যায়। ফলে ব্যবসায়ী, পুনরায় বিক্রেতা এবং সাধারণ ক্রেতা—সব শ্রেণির মানুষ অংশ নেন।

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই বলছেন, দীর্ঘদিন পর বড় পরিসরে নিলামের আয়োজন হওয়ায় এলাকায় ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল ক্রয়ে আগ্রহীরা নিলামকে ঘিরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কেউ কেউ আগেই কাস্টমস চত্বরে গিয়ে যানবাহনের অবস্থা পরিদর্শনও করেছেন বলে জানা গেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কাস্টমস নিলাম শুধু রাজস্ব আদায়ের মাধ্যম নয়, বরং অব্যবহৃত সম্পদকে পুনরায় অর্থনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত করার একটি কার্যকর পদ্ধতি। দীর্ঘদিন পড়ে থাকা যানবাহন নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হলে তা পুনরায় ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং বাজারেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে মোটরসাইকেল ও পরিবহন খাতে ব্যয়ের চাপ বাড়ায় অনেকে বিকল্পভাবে নিলামের দিকে ঝুঁকছেন। নতুন যানবাহনের তুলনায় কম দামে কিছু পাওয়া গেলে তা ব্যক্তিগত ব্যবহার কিংবা ব্যবসায়িক কাজেও ব্যবহার করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে ডেলিভারি সেবা, ছোট ব্যবসা কিংবা গ্রামীণ পরিবহনে এসব যানবাহনের চাহিদা রয়েছে।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত নিয়ম মেনে নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। অংশগ্রহণকারীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও শর্তাবলি অনুসরণ করতে হবে। নিলামে বিক্রি হওয়া যানবাহনের মূল্য সর্বোচ্চ দরদাতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।

দীর্ঘ বিরতির পর আয়োজিত এই নিলাম ঘিরে স্থানীয়ভাবে যেমন আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তেমনি রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সূত্র: হিলি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সাধারণ নিলামের আয়োজন করতে যাচ্ছে দিনাজপুরের হিলি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন সময় জব্দ ও সংরক্ষিত থাকা মোট ৭৬টি যানবাহন বিক্রির জন্য আগামী ১৭ মে নিলামের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। কাস্টমস চত্বরে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই নিলাম কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, এবারের নিলামে মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, ইজি বাইক এবং প্যাডেল ভ্যানসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১২টি মোটরসাইকেল, ৬২টি বাইসাইকেল, একটি ইজি বাইক এবং একটি প্যাডেল ভ্যান। দীর্ঘদিন ধরে কাস্টমসের হেফাজতে থাকা এসব যানবাহন নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমদানি-রপ্তানি কেন্দ্র হওয়ায় এখানে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও যানবাহন জব্দ করা হয়। কাস্টমস আইনের আওতায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মালামাল খালাস না হলে কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে জটিলতা থাকলে সেগুলো কাস্টমসের হেফাজতে চলে যায়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিলামের মাধ্যমে সেসব পণ্য বিক্রি করা হয়। এতে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বাড়ে, তেমনি দীর্ঘদিন পড়ে থাকা মালামালও ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের নিলামে অংশ নিতে আগ্রহীদের জন্য নির্ধারিত সিডিউলের মূল্য রাখা হয়েছে ৩০০ টাকা। ইতোমধ্যে নিলাম ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। শেষ দিন পর্যন্ত মোট ১০৬টি সিডিউল বিক্রি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, নিলামের দিনে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

হিলি কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, সর্বশেষ ২০২২ সালে সাধারণ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রায় চার বছর পর আবারও এই আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন পর নিলাম আয়োজন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। গত ১৪ মে টেন্ডার ড্রপিংয়ের শেষ দিনে মোট ১০৬টি সিডিউল বিক্রি হয়েছে।”

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাস্টমসের নিলামে তুলনামূলক কম দামে যানবাহন কেনার সুযোগ থাকায় অনেকেই এতে আগ্রহী হন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ইজি বাইকের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি থাকে। তবে নিলামে অংশ নেওয়ার আগে ক্রেতাদের যানবাহনের অবস্থা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং পরবর্তী নিবন্ধন সংক্রান্ত বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশে বিভিন্ন কাস্টমস হাউস ও স্থলবন্দরে নিয়মিতভাবে নিলাম আয়োজন করা হলেও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এমন আয়োজনকে কেন্দ্র করে বাড়তি আগ্রহ দেখা যায়। কারণ এসব নিলামে অনেক সময় কম ব্যবহৃত বা তুলনামূলক ভালো অবস্থার যানবাহন পাওয়া যায়। ফলে ব্যবসায়ী, পুনরায় বিক্রেতা এবং সাধারণ ক্রেতা—সব শ্রেণির মানুষ অংশ নেন।

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই বলছেন, দীর্ঘদিন পর বড় পরিসরে নিলামের আয়োজন হওয়ায় এলাকায় ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল ক্রয়ে আগ্রহীরা নিলামকে ঘিরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কেউ কেউ আগেই কাস্টমস চত্বরে গিয়ে যানবাহনের অবস্থা পরিদর্শনও করেছেন বলে জানা গেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কাস্টমস নিলাম শুধু রাজস্ব আদায়ের মাধ্যম নয়, বরং অব্যবহৃত সম্পদকে পুনরায় অর্থনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত করার একটি কার্যকর পদ্ধতি। দীর্ঘদিন পড়ে থাকা যানবাহন নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হলে তা পুনরায় ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং বাজারেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে মোটরসাইকেল ও পরিবহন খাতে ব্যয়ের চাপ বাড়ায় অনেকে বিকল্পভাবে নিলামের দিকে ঝুঁকছেন। নতুন যানবাহনের তুলনায় কম দামে কিছু পাওয়া গেলে তা ব্যক্তিগত ব্যবহার কিংবা ব্যবসায়িক কাজেও ব্যবহার করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে ডেলিভারি সেবা, ছোট ব্যবসা কিংবা গ্রামীণ পরিবহনে এসব যানবাহনের চাহিদা রয়েছে।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত নিয়ম মেনে নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। অংশগ্রহণকারীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও শর্তাবলি অনুসরণ করতে হবে। নিলামে বিক্রি হওয়া যানবাহনের মূল্য সর্বোচ্চ দরদাতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।

দীর্ঘ বিরতির পর আয়োজিত এই নিলাম ঘিরে স্থানীয়ভাবে যেমন আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তেমনি রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সূত্র: হিলি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন-কম টাকায় সরকারি নিলামের সম্পত্তি কেনার নিয়ম ২০২৬

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন! 🔥

স্টাফ রিপোর্টার

স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে আমি 'টেক বাংলা নিউজ' (ssitbari.com)-এ নিয়মিত বিভিন্ন তথ্যভিত্তিক ও আপডেটেড কনটেন্ট প্রকাশ করি। প্রযুক্তি, মোবাইল, গ্যাজেটসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয় সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে তুলে ধরা আমার লক্ষ্য। নির্ভরযোগ্য তথ্য, বিশ্লেষণ ও উপকারী টিপসের মাধ্যমে পাঠকদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করি।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now