আমাদের Telegram চ্যানেলে যুক্ত হোন

ঘরে বসেই ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার সহজ উপায়(আপডেট)

ঘরে বসেই ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন সহজ উপায়

বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন একসময় ছিল বেশ সময়সাপেক্ষ ও ঝামেলাপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া। তবে এখন প্রযুক্তির কল্যাণে ঘরে বসেই খুব সহজে এই কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব। সাধারণত অপেশাদার লাইসেন্সের মেয়াদ ১০ বছর এবং পেশাদার লাইসেন্সের মেয়াদ ৫ বছর হয়ে থাকে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই লাইসেন্স নবায়ন করা বাধ্যতামূলক, না হলে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে।

আরও পড়ুন-পেশাদার ও অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ভিন্নতা এবং এর মধ্যে পার্থক্য

বর্তমানে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বা BRTA অনলাইনের মাধ্যমে লাইসেন্স নবায়নের সুযোগ দিয়েছে। ফলে এখন আর অফিসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয় না, বরং মোবাইল বা কম্পিউটার থেকেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে হলে প্রথমে আপনাকে BRTA-এর অনলাইন প্ল্যাটফর্ম BRTA Service Portal এ লগইন করতে হবে। যদি আগে অ্যাকাউন্ট না থাকে, তাহলে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। লগইন করার পর মেনু থেকে “ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন” অপশনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর আপনার লাইসেন্সটি পেশাদার না অপেশাদার—সেটি নির্বাচন করতে হবে। সঠিক ক্যাটাগরি নির্বাচন করার পর বিদ্যমান লাইসেন্সের রেফারেন্স নম্বর দিতে হবে। এরপর ওয়েবসাইটে আপনার আগের তথ্যগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদর্শিত হবে। সেগুলো ভালোভাবে যাচাই করে প্রয়োজন হলে আপডেট করতে হবে।

পরবর্তী ধাপে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বর্তমান ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। মোবাইল দিয়ে ছবি তুলে বা স্ক্যান করে সহজেই এই কাজটি করা যায়। এরপর স্মার্ট কার্ড কোন ঠিকানায় নিতে চান, সেই ঠিকানা প্রদান করতে হবে।

এরপরের ধাপে আপনাকে লাইসেন্স নবায়নের নির্ধারিত ফি দেখানো হবে। “ফি জমা দিন” অপশনে ক্লিক করে মোবাইল নম্বর দিতে হবে এবং পেমেন্টের মাধ্যম নির্বাচন করতে হবে। বর্তমানে বিকাশ, নগদ, ডাচ-বাংলা ব্যাংক বা সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে ফি পরিশোধ করা যায়।

সব তথ্য নিশ্চিত করে “I agree” অপশনে টিক দিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করলে আবেদনটি সাবমিট হয়ে যাবে। এরপর আপনার আবেদন স্ট্যাটাসে “Fee Paid” দেখাবে এবং পেমেন্টের তারিখও উল্লেখ থাকবে।

কিছুদিনের মধ্যেই আপনার লাইসেন্স অনুমোদিত হলে “e-paper license generated” অপশন থেকে নতুন ই-পেপার লাইসেন্স ডাউনলোড করা যাবে। এটি প্রিন্ট করে ব্যবহার করা যাবে, যতদিন না স্মার্ট কার্ড হাতে আসে। পরবর্তীতে BRTA থেকে স্মার্ট কার্ড আপনার দেওয়া ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ৬০ দিন আগে থেকেই নবায়নের আবেদন করা যায়। নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে চেষ্টা করলে অনেক সময় এই অপশনটি কাজ নাও করতে পারে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন এখন আর জটিল কোনো প্রক্রিয়া নয়। কিছু ধাপ অনুসরণ করলেই ঘরে বসেই খুব সহজে এই কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব। এতে যেমন সময় বাঁচে, তেমনি ভোগান্তিও কমে। নিয়ম মেনে লাইসেন্স নবায়ন করে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থায় সচেতন ভূমিকা রাখা প্রতিটি চালকের দায়িত্ব।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

আরও পড়ুন-ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে করণীয় কি

👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন! 🔥

স্টাফ রিপোর্টার

স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে আমি 'টেক বাংলা নিউজ' (ssitbari.com)-এ নিয়মিত বিভিন্ন তথ্যভিত্তিক ও আপডেটেড কনটেন্ট প্রকাশ করি। প্রযুক্তি, মোবাইল, গ্যাজেটসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয় সহজ ও বোধগম্য ভাষায় পাঠকদের কাছে তুলে ধরা আমার লক্ষ্য। নির্ভরযোগ্য তথ্য, বিশ্লেষণ ও উপকারী টিপসের মাধ্যমে পাঠকদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করি।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now