মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এশিয়ার বাজার খোলার পরপরই বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম আবারও লাফিয়ে বেড়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য নতুন চাপ তৈরি করতে পারে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, Brent Crude Oil-এর দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৫ দশমিক ৮৪ ডলারে পৌঁছেছে। আগের দিনের তুলনায় এটি প্রায় ২ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঊর্ধ্বগতি মূলত ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব।
আরও পড়ুন-সব গাড়ির জন্য আসছে ‘ফুয়েল কার্ড’
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর ইরানে হামলার আগে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ছিল প্রায় ৭২ ডলার। কিন্তু ওই ঘটনার পর থেকেই বাজারে ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়।
এর ধারাবাহিকতায় মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে তেলের দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১১৮ ডলারে পৌঁছায়। পরে কিছুটা কমে এলেও তা আবারও বেড়ে বর্তমানে ১১৫ ডলারের ওপরে অবস্থান করছে। যা সংঘাত শুরুর আগের সময়ের তুলনায় অনেক বেশি।
জ্বালানি বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়বে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আরও বাড়তে পারে, যার প্রভাব পড়বে পরিবহন খরচ, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং ভোক্তা পণ্যের দামে।
বিশেষ করে তেলনির্ভর দেশগুলোর জন্য এই পরিস্থিতি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ তেলের দাম বাড়লে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পায়, যা সরাসরি দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এখন আবারও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, তার ওপরই নির্ভর করছে তেলের ভবিষ্যৎ মূল্য পরিস্থিতি।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
আরও পড়ুন-চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি নিতে লাগবে ফুয়েল কার্ড ১ এপ্রিল থেকে নতুন নিয়ম চালু
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔









