দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীদের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার চালু করতে যাচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। এর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বগুড়া থেকে। আগামী ১০ মার্চ এই কর্মসূচির উদ্বোধন করতে জেলায় সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—সরকারপ্রধান হিসেবে এটি হবে তার প্রথম বগুড়া সফর।
আরও পড়ুন-নতুন ফ্যামিলি কার্ড আবেদন করার নিয়ম(অনলাইন ও অফলাইন)
মহাস্থানগড়ে ঘোষণা
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জের ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে জুমার নামাজের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় আসবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কোথায় শুরু হচ্ছে পাইলট প্রকল্প?
প্রাথমিকভাবে বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য সুবিধাভোগী পরিবার চিহ্নিত করতে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্প বাস্তবায়ন সুষ্ঠু করতে জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি করে পৃথক জেলা ও উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও তদারকি কমিটি কাজ শুরু করেছে।
কী সুবিধা পাবেন কার্ডধারীরা?
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী—
-
প্রতি কার্ডধারী পরিবার মাসে ২,৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবে।
-
দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির নারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।
-
প্রতিটি পরিবার থেকে একজন নারী সদস্যকে কার্ডধারী হিসেবে নিবন্ধন করা হবে।
-
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে যোগ্য বিবেচিত সকল পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এই আর্থিক সহায়তা সরাসরি পরিবারগুলোর মৌলিক চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
চার মাস চলবে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম
প্রথম ধাপে চার মাস পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ সময় প্রকল্পের কার্যকারিতা, স্বচ্ছতা ও উপকারভোগীদের প্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন করা হবে। ফলাফল সন্তোষজনক হলে ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য উপজেলা পর্যায়ে কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সামাজিক সুরক্ষা জোরদারের নতুন উদ্যোগ
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি মূলত সামাজিক সুরক্ষা বলয়কে আরও শক্তিশালী করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে নারীদের হাতে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে পরিবারভিত্তিক অর্থনৈতিক স্থিতি বাড়ানোই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
বগুড়া থেকে শুরু হওয়া এই পাইলট প্রকল্প সফল হলে তা জাতীয় পর্যায়ে একটি বৃহৎ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচিতে রূপ নিতে পারে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
আরও পড়ুন-ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔









