বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগে শূন্য পদের সংখ্যা আবারও কমানো হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় সংশোধনের পর পদসংখ্যা ১২ হাজার ৯৫১ থেকে কমিয়ে ১১ হাজার ১৫১ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
আরও পড়ুন-এসএসসি ২০২৬ নকলমুক্ত পরীক্ষার ঘোষণা খাতা মূল্যায়নেও কঠোর অবস্থান শিক্ষামন্ত্রীর
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রথম সংশোধনের পর শূন্য পদের সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ৯৫১। তবে সর্বশেষ পর্যালোচনার ভিত্তিতে তা কমিয়ে ১১ হাজার ১৫১ করা হয়েছে। ফলে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রতিযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান জানান, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি আগামী জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আরও একটি নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এনটিআরসিএ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষক নিবন্ধন, প্রত্যয়ন এবং নিয়োগ সুপারিশ প্রদান করে থাকে। এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ১৮টি নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে এবং ৭টি নিয়োগ সুপারিশ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালের আগে এনটিআরসিএর কার্যক্রম শুধু নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়োগ সুপারিশ প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে।
এনটিআরসিএর তথ্যমতে, সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতির মাধ্যমে ৭টি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৮৪ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
বর্তমান নিয়োগে ১১ হাজার ১৫১টি শূন্য পদের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে ৭ হাজার ৯০৮টি পদ। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে ৩ হাজার ১৩১টি এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১১২টি পদ।
এই নিয়োগের জন্য গত ২৫ মার্চ ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬ (সংশোধিত)’ শিরোনামে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে অংশ নিতে মোট ৫৩ হাজার ৬৯ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন।
আবেদনকারীদের মধ্যে পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ৩৫১ জন এবং নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৫ হাজার ৭১৮ জন। বর্তমানে পরীক্ষা গ্রহণসহ পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান।
এছাড়া নতুন করে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ৯ম এনটিআরসিএ বিজ্ঞপ্তির আওতায় শূন্যপদ সংগ্রহ (e-Requisition) প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত ২৯ মার্চ এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ শেষে পরবর্তী নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে।
সব মিলিয়ে, পদসংখ্যা কমে যাওয়ায় এই নিয়োগে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় নিয়োগ সম্পন্ন করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে এনটিআরসিএ।
আরও পড়ুন-১৩ এপ্রিল পার্বত্য তিন জেলায় সাধারণ ছুটি চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে সিদ্ধান্ত
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔










