ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পরবর্তী সময়ে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রীদের জন্য ৫০টি সরকারি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই প্রশাসনিক ও লজিস্টিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন-ভোটের তিন দিন আগে নির্বাচনি ওয়েবসাইট চালু করল জামায়াতে ইসলামী
এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, নতুন মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ধরা হয়েছে আগামী ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি। তবে পরিস্থিতি ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শপথ অনুষ্ঠান এর আগেও অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উল্লেখ করেছে বিভাগটি। ফলে শপথের সময়সূচি চূড়ান্ত না হলেও প্রস্তুতির কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র অনুযায়ী, নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের যাতায়াত এবং সরকারি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এই গাড়িগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সাধারণত নতুন সরকার গঠনের সময় মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত সরকারি গাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়, যাতে তারা দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দাপ্তরিক কাজে অংশ নিতে পারেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তুত রাখা গাড়িগুলো মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সদস্যসংখ্যা বিবেচনা করেই নির্ধারণ করা হয়েছে। শপথ গ্রহণের পর যাঁরা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাবেন, তাঁদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী এসব গাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হবে। শপথের দিন থেকেই যেন নতুন মন্ত্রীরা সরকারি দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অসুবিধায় না পড়েন, সেদিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন পরবর্তী সময়ে নতুন সরকার গঠনকে ঘিরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য গাড়ি প্রস্তুত রাখা সেই প্রস্তুতির একটি অংশ। এর আগে সচিবালয়, দপ্তরসমূহ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আরও জানিয়েছে, শপথ অনুষ্ঠানের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে তা জানানো হবে। বর্তমানে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারিকে বিবেচনায় রাখা হলেও, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শপথ অনুষ্ঠান এগিয়ে আনা হতে পারে। সে কারণে সব ধরনের প্রস্তুতি আগেভাগেই সম্পন্ন রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন ও গণভোটের পর দ্রুত সরকার গঠন এবং নতুন মন্ত্রিসভার কার্যক্রম শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে লজিস্টিক প্রস্তুতি, বিশেষ করে মন্ত্রীদের যানবাহন ব্যবস্থা আগে থেকেই নিশ্চিত করা হলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আসে। নতুন মন্ত্রীরা দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই যেন রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে মনোযোগ দিতে পারেন, সেটিই এই প্রস্তুতির মূল উদ্দেশ্য।
উল্লেখ্য, অতীতেও নতুন সরকার গঠনের সময় মন্ত্রীদের জন্য সরকারি গাড়ি আগাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এবারও সেই নিয়মের ব্যতিক্রম হয়নি। নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধাপে ধাপে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
উপসংহার
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান সামনে রেখে মন্ত্রীদের জন্য ৫০টি গাড়ি প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত সরকারের প্রশাসনিক প্রস্তুতিরই একটি অংশ। শপথের সম্ভাব্য তারিখ ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি ধরা হলেও প্রয়োজনে তা আগেও হতে পারে। সব মিলিয়ে, নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে নিতে আগাম এই প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন-ভোটের দিন সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের মোবাইল ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল ইসি
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔









