শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। ২০২৪ ও ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ৬ষ্ঠ ও ৮ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত যেসব শিক্ষার্থী এখনো রেজিস্ট্রেশনের বাইরে রয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ সুযোগ দিয়ে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি শিক্ষার্থীদের জন্য এক ধরনের ‘শেষ সুযোগ’।
আরও পড়ুন-এসএসসি পরীক্ষায় ৩১ নির্দেশনা নকল ঠেকাতে টয়লেট তল্লাশি বাধ্যতামূলক
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ছালেহ আহমদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ফি জমা দেওয়া যাবে। আর অনলাইনে তথ্য এন্ট্রির শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এই বর্ধিত সময়ের মধ্যে শুধুমাত্র নতুন করে শিক্ষার্থীদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। তবে যেসব শিক্ষার্থীর তথ্য ইতোমধ্যে সিস্টেমে এন্ট্রি করা হয়েছে, সেগুলো কোনোভাবেই সম্পাদনা বা মুছে ফেলার সুযোগ থাকবে না। ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তথ্য প্রদান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ সম্পন্ন না হলে অনলাইনে ‘নিউ এন্ট্রি’ অপশন সক্রিয় হবে না। অর্থাৎ, ফি জমা দেওয়ার পরই কেবল নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য আপলোড করা সম্ভব হবে। এই প্রক্রিয়াটি নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে বলা হয়েছে।
রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমে কোনো ধরনের প্রযুক্তিগত বা তথ্যগত সমস্যার সম্মুখীন হলে নির্দিষ্ট নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অফিস সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের EIIN ভিত্তিক সিম নম্বর ব্যবহার করে ০১৭১৩-০৬৮৯০৯ অথবা ০১৮২৪-৬০৬৬৫৪ নম্বরে যোগাযোগ করে সহায়তা নেওয়া যাবে।
বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থী নানা কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারেনি, তাদের শিক্ষাজীবন যেন ব্যাহত না হয়—সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে সকল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও সুপারদের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন না হলে ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক হলেও এটি শেষ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি। সঠিক সময়ে তথ্য প্রদান ও ফি পরিশোধ নিশ্চিত না করলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির সম্মুখীন হতে হতে পারে।
সব মিলিয়ে, বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে মাদ্রাসা বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যক্রম সম্পন্ন করাই সংশ্লিষ্টদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
আরও পড়ুন-২১ এপ্রিল এসএসসি পরীক্ষা শুরু কেন্দ্রসচিবদের কঠোর নির্দেশনা দিল শিক্ষা বোর্ড
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
আরও পড়ুন-প্রথমে কোন কোন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই চালুর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী?
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔






