ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ও নাগরিক সেবার অপরিহার্য অংশ। এই বাস্তবতা সামনে রেখে জনসাধারণের তথ্যপ্রাপ্তি ও আধুনিক সেবায় প্রবেশ সহজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, বিএনপি সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে দেশের বিভিন্ন জনবহুল স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে হাসপাতাল ও পরিবহনকেন্দ্র—সবখানেই সাধারণ মানুষ বিনা খরচে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে।
আরও পড়ুন-এআই ও ফ্রিল্যান্সিংয়ে ১০ লাখ কর্মসংস্থানের ঘোষণা
ফেসবুক পোস্টে ঘোষণার বিস্তারিত
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও পোস্ট শেয়ার করে এ ঘোষণা দেন তারেক রহমান। পোস্ট করা ভিডিওতে জনবহুল স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয় এবং দেখানো হয় কীভাবে এই সেবা সাধারণ মানুষের জীবনকে সহজ করতে পারে।
ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, বিএনপি সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে স্কুল-কলেজ, অফিস, গ্রামীণ ডিজিটাল সেন্টার, হাসপাতাল, রেলস্টেশন ও এয়ারপোর্টসহ নির্দিষ্ট জনবহুল স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে দেশের মানুষ সহজেই তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে এবং আধুনিক ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করার সুযোগ পাবে।
কোন কোন স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট মিলবে
ঘোষণা অনুযায়ী, বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়া হবে—
-
স্কুল ও কলেজে।
-
সরকারি ও বেসরকারি অফিসে।
-
গ্রামীণ ডিজিটাল সেন্টারে।
-
হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।
-
রেলস্টেশন ও এয়ারপোর্টে।
-
অন্যান্য নির্দিষ্ট জনবহুল স্থানে।
এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো শহর ও গ্রামের মধ্যে ডিজিটাল ব্যবধান কমানো এবং সকল নাগরিককে তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় আনা।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই উদ্যোগ
তারেক রহমানের মতে, বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা চালু হলে—
-
শিক্ষার্থীরা সহজে অনলাইন শিক্ষা ও তথ্যভান্ডারে প্রবেশ করতে পারবে।
-
রোগী ও স্বজনরা স্বাস্থ্যসেবার ডিজিটাল সুবিধা ব্যবহার করতে পারবে।
-
যাত্রীদের ভ্রমণকালে তথ্য সংগ্রহ ও যোগাযোগ সহজ হবে।
-
সাধারণ মানুষ সরকারি ও বেসরকারি অনলাইন সেবা গ্রহণে আরও সক্ষম হবে।
এর ফলে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাড়বে এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সমাজ গঠনের পথ আরও সুগম হবে।
‘ইন্টারনেট হবে সবার’—রাজনৈতিক অঙ্গীকার
ফেসবুক পোস্টের শেষ অংশে তারেক রহমান লেখেন,
“ধানের শীষের অঙ্গীকার, ইন্টারনেট হবে সবার।”
এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ইন্টারনেটকে মৌলিক নাগরিক সুবিধা হিসেবে প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক অঙ্গীকারের কথাই তুলে ধরেছেন। বিএনপির এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ডিজিটাল শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সেবাখাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উপসংহার
সব মিলিয়ে, জনবহুল স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেওয়ার ঘোষণা বিএনপির ডিজিটাল ও সামাজিক উন্নয়ন ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও নাগরিক সেবায় ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ বাড়ালে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও সহজ ও গতিশীল হবে। এখন দেখার বিষয়, এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কী ধরনের কার্যকর নীতিমালা ও অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়।
আরও পড়ুন-বিটিসিএল চালু করছে .bd ও .বাংলা ডোমেইন রিসেলার সিস্টেম!
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔










