বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিকল্প ও টেকসই সমাধান নিয়ে নতুন উদ্যোগ হিসেবে ‘লুনা ২০০০’ সিরিজের সোলার এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম বাজারে এনেছে Huawei। রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই আধুনিক প্রযুক্তির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও প্রদর্শনী করা হয়, যেখানে দেশের বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতে এর ব্যবহারিক সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।
আরও পড়ুনঃ-রোগের আগেই সংকেত এআই বলবে ৫ বছর আগে আপনার হার্ট কতটা ঝুঁকিতে
হুয়াওয়ে বাংলাদেশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশের শিল্প খাত বর্তমানে বাড়তি জ্বালানি খরচ এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এই বাস্তবতায় ‘লুনা ২০০০’ সিরিজের সোলার এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম একটি কার্যকর ও নিরাপদ সমাধান হিসেবে কাজ করবে। বিশেষ করে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং হুয়াওয়ে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা Jason Wu বলেন, ডিজিটাল পাওয়ার সলিউশনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ইতোমধ্যে ৪৩০ মিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে সহায়তা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তিনি জানান, কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর জ্বালানি সমাধান দিয়ে সহযোগিতা করছে হুয়াওয়ে এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ডিজিটাল পাওয়ার বিভাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক Yu Jianlong জানান, হুয়াওয়ের পিভি (PV) এবং এনার্জি স্টোরেজ সলিউশন ইতোমধ্যে বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। নতুন ‘লুনা ২০০০’ সিরিজে উন্নত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেল-টু-কনজাম্পশন ডুয়াল-লিংক সেফটি আর্কিটেকচার ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ও ব্যবহারে ঝুঁকি কমবে এবং নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স নিশ্চিত হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে শিল্প খাতে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু একই সঙ্গে জ্বালানি ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সোলার এনার্জি স্টোরেজ প্রযুক্তি বিদ্যুৎ সাশ্রয়, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে যেখানে লোডশেডিং বা বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে, সেখানে এই ধরনের স্টোরেজ সিস্টেম কার্যকর সমাধান দিতে পারে।
‘লুনা ২০০০’ সিরিজ মূলত সৌরশক্তি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। ফলে দিনে উৎপাদিত বিদ্যুৎ রাতে বা বিদ্যুৎ না থাকলেও ব্যবহার করা সম্ভব হয়। এটি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।
এছাড়া পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে, যা বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশ সরকারও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর দিকে জোর দিচ্ছে, তাই এই ধরনের প্রযুক্তি দেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
সব মিলিয়ে, হুয়াওয়ের ‘লুনা ২০০০’ সিরিজের সোলার এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় একটি আধুনিক ও কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং শিল্প উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র-Huawei বাংলাদেশ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
আরও পড়ুন- পুরোনো স্মার্টফোনে ফ্রি সিসিটিভি ঘরের নিরাপত্তা এখন আরও সহজ
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔







