বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনতে সরকার চালু করেছে নতুন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। এই কার্ডের মাধ্যমে ধাপে ধাপে দেশের সব নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রহিমানপুর ইউনিয়নের ঈদগা মাদ্রাসা মাঠে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন-বান্দরবানে শুরু ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, ১,০৯৭ পরিবার পাবে মাসে ২,৫০০ টাকা
তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি পরিবারের প্রধান নারী সদস্য এই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো পরিবারের নারীদের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা আরও বিস্তৃত করা।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,
“আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর উদ্যোগে এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি পরিবারের প্রধান নারী সদস্য এই কার্ড পাবেন। একটু ধৈর্য ধরতে হবে। ধাপে ধাপে সবাই এই কর্মসূচির আওতায় আসবেন। জেলা প্রশাসকও এই কার্ড পাবেন, আমার স্ত্রীও পাবেন—অর্থাৎ দেশের সব নারীই এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হবেন।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের শক্তির চেয়ে বড় কোনো শক্তি নেই। অতীতে দীর্ঘ সময় ধরে দেশে সুশাসনের অভাব ছিল এবং অনেক কাজেই অনিয়মের অভিযোগ ছিল। তবে এবার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে কাউকে কোনো টাকা-পয়সা দিতে হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, সরকার গঠনের মাত্র ২২ দিনের মধ্যেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কার্ড নারীদের জন্য একটি শক্তিশালী সহায়তা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি কৃষকদের জন্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, ইতোমধ্যে কৃষকদের সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন এলাকায় খাল খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে, যাতে কৃষকরা সহজে সেচ সুবিধা পান।
এ ছাড়া ঠাকুরগাঁও জেলার উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু বড় প্রকল্প নেওয়ার কথাও জানান তিনি। এর মধ্যে রয়েছে—
-
জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন।
-
একটি আঞ্চলিক বিমানবন্দর নির্মাণ।
-
স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি।
তিনি বলেন, বেকার যুবকদের এমনভাবে দক্ষ করে তোলা হবে যাতে তারা ঘরে বসেই বছরে দুই থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে।
সরকারি সূত্র জানায়, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে মাসিক আর্থিক সহায়তা বা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ধাপে ধাপে দেশের সব পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন-ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔










