আমাদের Telegram চ্যানেলে যুক্ত হোন

বিশ্বে ১ জিবি মোবাইল ইন্টারনেটের দাম বাংলাদেশ কত নম্বরে

February 28, 2026 1:32 PM
আন্তর্জাতিক ডাটা মূল্য তালিকা

ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবার তালিকায় শীর্ষে। পড়াশোনা, ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ব্যবসা কিংবা সামাজিক যোগাযোগ—সবকিছুর ভিত্তিই হয়ে উঠেছে মোবাইল ডাটা। কিন্তু বিশ্বজুড়ে ১ জিবি মোবাইল ইন্টারনেটের দাম কি একরকম? সাম্প্রতিক তুলনামূলক তথ্য বলছে, দেশভেদে এই খরচে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য।

একটি আন্তর্জাতিক মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ৩০ দিনের জন্য ১ জিবি মোবাইল ইন্টারনেটের দাম বিভিন্ন দেশে ভিন্ন মাত্রায় নির্ধারিত হয়েছে। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে যেমন পার্থক্য আছে, তেমনি প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যেও দামের ব্যবধান চোখে পড়ার মতো।

আরও পড়ুন-একুশের শ্রদ্ধায় ২১ জিবি বোনাস দিচ্ছে বাংলালিংক

সবচেয়ে সস্তা কোথায়?

তালিকায় দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত ১ জিবি মোবাইল ডাটার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম খরচের দেশগুলোর একটি। মাত্র ০.০৯ মার্কিন ডলারে সেখানে ১ জিবি ডাটা পাওয়া যায়। এর বিপরীতে কিছু ইউরোপীয় ও উন্নত দেশে একই পরিমাণ ডাটার জন্য গুনতে হয় তুলনামূলক বেশি অর্থ।

বাংলাদেশ কত নম্বরে?

বাংলাদেশে ১ জিবি মোবাইল ইন্টারনেটের গড় মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ০.৭০ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৪ টাকা, ডলার রেট অনুযায়ী পরিবর্তনশীল)। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় এটি কিছুটা বেশি হলেও উন্নত দেশের তুলনায় এখনও তুলনামূলক কম।

দেশভিত্তিক ১ জিবি মোবাইল ইন্টারনেটের মূল্যতালিকা (৩০ দিন)

নিচের টেবিলে দেশভেদে ১ জিবি মোবাইল ডাটার আনুমানিক মূল্য তুলে ধরা হলো—

দেশ মূল্য (মার্কিন ডলার) আনুমানিক মূল্য (টাকা)
ভারত $0.09 ≈ ১০.৮০ টাকা
ইসরায়েল $0.05 ≈ ৬.০০ টাকা
যুক্তরাষ্ট্র $0.36 ≈ ৬০.০০ টাকা
কানাডা $0.94 ≈ ৮৪.০০ টাকা
পাকিস্তান $0.59 ≈ ৮৪.০০ টাকা
কিরগিজস্তান $0.21 ≈ ১৯.০০ টাকা
মলদোভা $0.02 ≈ ২৯.০০ টাকা
ফিজি $0.15 ≈ ৩০.০০ টাকা
ফ্রান্স $0.45 ≈ ৩৪.০০ টাকা
বাংলাদেশ $0.70 ≈ ৮৪.০০ টাকা
অস্ট্রেলিয়া $0.90 ≈ ৮৪.০০ টাকা
চায়না $0.52 ≈ ৮৭.০০ টাকা

দ্রষ্টব্য: টাকার পরিমাণ ডলারের বিপরীতে আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে। ডলার রেট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই অঙ্কে ভিন্নতা আসতে পারে।

দামের পার্থক্যের কারণ কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইল ইন্টারনেটের মূল্য নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের ওপর—

  • টেলিকম অপারেটরের প্রতিযোগিতা।

  • স্পেকট্রাম লাইসেন্স ফি।

  • সরকারি কর ও ভ্যাট।

  • অবকাঠামো ব্যয়।

  • ব্যবহারকারীর সংখ্যা ও বাজার কাঠামো।

ভারতের মতো দেশে বিশাল ব্যবহারকারী ভিত্তি ও তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে ডাটার দাম তুলনামূলক কম। অন্যদিকে, কম জনসংখ্যা বা উচ্চ অবকাঠামো ব্যয়ের দেশে ডাটার মূল্য বেশি হতে দেখা যায়।

ব্যবহারকারীদের জন্য কী বার্তা?

বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট এখন আগের তুলনায় সহজলভ্য হলেও আন্তর্জাতিক তুলনায় এখনও আরও প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নির্ধারণের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ফ্রিল্যান্সার, শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী ডাটা প্যাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে সুলভ ইন্টারনেট অন্যতম চালিকাশক্তি। তাই ভবিষ্যতে নীতিনির্ধারকদের লক্ষ্য থাকতে পারে—কীভাবে গুণগত মান বজায় রেখে ডাটার মূল্য আরও নাগালের মধ্যে আনা যায়।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!

আরও পড়ুন-তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট! বর্তমানে কোন কোন এলাকায় Robi WiFi চালু হয়েছে

👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন! 🔥

Sanaul Bari

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ। আমি মোঃ সানাউল বারী। পেশায় আমি একজন চাকরিজীবী এবং এই ওয়েবসাইটের এডমিন। চাকরির পাশাপাশি, আমি গত ১৪ বছর ধরে আমার নিজস্ব ওয়েবসাইটে লেখালেখি করছি এবং আমার নিজস্ব ইউটিউব এবং ফেসবুকে কন্টেন্ট তৈরি করছি। বিশেষ দ্রষ্টব্য - লেখায় যদি কোনও ভুল থাকে, তাহলে দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। ধন্যবাদ।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now