দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে হাজির হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে তিনি সচিবালয়ে প্রবেশ করেন।
দ্বিতীয় দিনেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে অংশ নেওয়ার সূচি থাকায় আজকের দিনটিকে প্রশাসনিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন-এআই ও ফ্রিল্যান্সিংয়ে ১০ লাখ কর্মসংস্থানের ঘোষণা
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত
আজকের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম। নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকিভিত্তিক পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
সরকারি সূত্র বলছে, ফ্যামিলি কার্ড ব্যবস্থায় ডাটাবেইজ আপডেট, উপকারভোগী যাচাই ও সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করার বিষয়ে নতুন দিকনির্দেশনা আসতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আধুনিকায়ন সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে, আর সেই প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ।
পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা
দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে আরেকটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, যেখানে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, বনাঞ্চল বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই পরিকল্পনাকে বড় কর্মসূচি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন হলে দেশের সবুজায়নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে।
নদী-খাল-জলাধার পুনঃখনন কর্মসূচি
একই দিনে “নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি” নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হওয়ার কথা রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে ভরাট, দখল ও অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক নদী ও খাল সংকুচিত হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধতা, কৃষিক্ষেত্রে সেচ সংকট এবং পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা নিরসনে পুনঃখনন কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, এ বিষয়ে একটি সমন্বিত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা হতে পারে।
নিরাপত্তা ও কৌশলগত বৈঠক
সচিবালয়ে প্রবেশের আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) মহাপরিচালকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
পরবর্তীতে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিজিএফআই) মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠক করেন। সকাল সাড়ে ১০টায় তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশাসন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সমন্বয় জোরদারে এসব বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রশাসনিক বার্তা কী?
টানা দুই দিন সচিবালয়ে উপস্থিতি এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খাত নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠক—এটি প্রশাসনিক সক্রিয়তার স্পষ্ট বার্তা বহন করছে।
সামাজিক সুরক্ষা, পরিবেশ, অবকাঠামো ও নিরাপত্তা—এই চারটি খাতেই একযোগে উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমে সরকার প্রাথমিক পর্যায়েই অগ্রাধিকার নির্ধারণ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন-বিটিসিএল চালু করছে .bd ও .বাংলা ডোমেইন রিসেলার সিস্টেম!
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔










