আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নির্বাচন চলাকালীন সময়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা অনিয়মের ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে একটি কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেল সক্রিয় রাখা হয়েছে। এই সমন্বয় সেলের মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকরা খুব সহজেই তাদের অভিযোগ বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরাসরি কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবেন।
আরও পড়ুন-পাসপোর্ট ভিসা জালিয়াতিতে বাংলাদেশ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ড ইউনূসের সতর্কবার্তা
নির্বাচনকালীন সমন্বয় সেলের উদ্দেশ্য
নির্বাচনের সময় অনেক এলাকায় হঠাৎ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। ভোটকেন্দ্রে গোলযোগ, ভোটারদের বাধা দেওয়া কিংবা আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো ঘটনা দ্রুত জানানো না গেলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এসব বিষয় দ্রুত শনাক্ত ও সমাধানের জন্যই নির্বাচনকালীন এই সমন্বয় সেল গঠন করা হয়েছে। এখানে পাওয়া তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তরের কাছে পাঠানো হবে।
কোন কোন বিষয়ে অভিযোগ জানানো যাবে
এই সমন্বয় সেলের মাধ্যমে নির্বাচনকালীন যেকোনো আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত অভিযোগ জানানো যাবে। এর মধ্যে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, সহিংসতার আশঙ্কা, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন কিংবা নিরাপত্তাজনিত জরুরি পরিস্থিতির তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু রাখতে এসব তথ্য সময়মতো জানানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জরুরি টেলিফোন নম্বর
নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেলের নির্ধারিত টেলিফোন নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। জরুরি যোগাযোগের জন্য চালু থাকা নম্বরগুলো হলো ০২-৪৭১১৮৭০০, ০২-৪৭১১৮৭০১, ০২-৪৭১১৮৭০২ এবং ০২-৪৭১১৮৭০৩। এসব নম্বরের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ বা তথ্য জানানো যাবে।
মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ যোগাযোগ ব্যবস্থা
টেলিফোনের পাশাপাশি মোবাইল ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও সমন্বয় সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে। এ জন্য নির্ধারিত মোবাইল নম্বর হলো ০১৫৫০-০৬৪২২৬ এবং ০১৫৫০-০৬৪২২৭। এর মধ্যে ০১৫৫০-০৬৪২২৬ নম্বরটি হোয়াটসঅ্যাপেও সক্রিয় থাকবে। যেসব ক্ষেত্রে কল করা সম্ভব নয়, সেসব ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়েও অভিযোগ জানানো যাবে।
অভিযোগ জানানোর সময় যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখবেন
অভিযোগ জানানোর সময় ঘটনার স্থান, সময় এবং সমস্যার ধরন সংক্ষেপে উল্লেখ করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে। একই সঙ্গে যাচাই না করা বা গুজব তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যই নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বেশি সহায়ক।
উপসংহার
নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। কোনো অনিয়ম বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা চোখে পড়লে নির্ধারিত এই নম্বরগুলোতে দ্রুত যোগাযোগ করার মাধ্যমে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সচেতন নাগরিকের সহযোগিতাই পারে একটি গ্রহণযোগ্য ও নিরাপদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে।
তথ্যসূত্র-Jamuna TV
আরও পড়ুন-বাংলাদেশে একের পর এক উপদেষ্টা লাল কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!
👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔










