খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের নাম, লোগো এবং কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ব্যবহার করে জাল স্মারক ও ভুয়া বরাদ্দপত্র তৈরি করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।
খাদ্য অধিদপ্তরের সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘ডেলিকেটেড’ নামের একটি কাল্পনিক ও ভুয়া প্রক্রিয়ায় পাটের বস্তা ক্রয়ের অনুমোদনের কথা বলে দেশের বিভিন্ন পাটজাত পণ্য প্রস্তুতকারক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে প্রতারক চক্রটি।
প্রতারকরা খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ভুয়া স্মারক নম্বর তৈরি করার পাশাপাশি খাদ্য অধিদপ্তরের সরবরাহ, বণ্টন ও বিপণন বিভাগের লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার করছে। একই সঙ্গে পরিচালক (সংগ্রহ) এবং উপ-পরিচালক (সরবরাহ, বণ্টন ও বিপণন) পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল বা স্ক্যান করে ভুয়া বরাদ্দপত্র তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
খাদ্য অধিদপ্তর স্পষ্ট জানিয়েছে, এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে খাদ্য মন্ত্রণালয় বা খাদ্য অধিদপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই এ ধরনের কোনো বরাদ্দপত্র বা প্রস্তাবের ভিত্তিতে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে।
এ ছাড়া খাদ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ‘ডেলিকেটেড’ নামের কোনো পদ্ধতিতে বস্তা ক্রয় করা হয় না। অধিদপ্তরের বস্তা ক্রয় কার্যক্রম ই-জিপি বা e-GP সিস্টেমে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কেউ যদি ভুয়া বরাদ্দপত্রের প্রলোভনে পড়ে আর্থিক লেনদেন করেন, তার দায়ভার খাদ্য বিভাগ গ্রহণ করবে না।
গত ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সহকারী নিয়ন্ত্রক (সংগ্রহ বিভাগ) শাফিন হায়দারের স্বাক্ষরে এ বিষয়ে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। বিজ্ঞপ্তির স্মারক নম্বর— ১৩.০১.০০০০.০৯১.৩২.২৬৫.২০২৬.২৭৩২।
সংশ্লিষ্টদের সরকারি কোনো বরাদ্দপত্র, ক্রয়াদেশ বা প্রকল্পের প্রস্তাব পাওয়ার পর তা যাচাই না করে অর্থ লেনদেন না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি খাদ্য অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.dgfood.gov.bd থেকে সরকারি নোটিশ ও দরপত্রের তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সচেতন থাকুন, প্রতারণা থেকে নিরাপদ থাকুন।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!