সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের ঐতিহাসিক শাহ শরিফ জিন্দানি (রহ.) মাজারের দানবাক্সে তিন মাসে জমা পড়েছে ১০ লাখ ১৪ হাজার টাকা। সোমবার (৬ অক্টোবর) দানবাক্সের তালা খুলে দিনভর টাকা গণনা শেষে এ অর্থ পাওয়া যায়।

মাজার পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি তিন মাস পরপর মাজারের দানবাক্স খোলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার জোহরের নামাজের পর দানবাক্সের তালা খোলা হয়। পরে মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে দিনভর দান করা অর্থ গণনা করা হয়। গণনা শেষে মোট ১০ লাখ ১৪ হাজার টাকা পাওয়া যায়।

টাকা গণনা শেষে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুরো অর্থ তাড়াশ থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে এ অর্থ জমা রাখা হবে বলে জানিয়েছেন মাজার পরিচালনা কমিটির কর্মকর্তারা।

মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী তিন মাস পর দানবাক্স খুলে টাকা গণনা করা হয়েছে। গণনা শেষে ১০ লাখ ১৪ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। পাওয়া অর্থ নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে।

তিনি বলেন, মাজারের দানবাক্সে জমা হওয়া অর্থ মাজারের উন্নয়ন ও সংস্কারকাজে ব্যয় করা হয়। পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহায়তায়ও এ অর্থ ব্যয় করা হয়ে থাকে।

মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক বলেন, তিন মাস পর নিয়ম অনুযায়ী দানবাক্স খোলা হয়েছে। সেখানে মোট ১০ লাখ ১৪ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। টাকা নিরাপত্তার জন্য পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী তা ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহ শরিফ জিন্দানি (রহ.) মাজারটি তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের একটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থান হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সময় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থী ও ভক্তরা মাজারে আসেন। মাজারে আগতদের দান করা অর্থ নির্ধারিত নিয়মে পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে সংরক্ষণ ও ব্যয় করা হয়।

মাজারের দানবাক্সে তিন মাসে ১০ লাখ ১৪ হাজার টাকা জমা পড়ার বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অর্থের ব্যবহার নির্ধারিত নিয়ম ও পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করা হবে।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!