কুষ্টিয়ার মিরপুরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মো. মোখলেসুর রহমান (৫০) নামে এক কলেজ শিক্ষককে হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে যুবদল কর্মী মিজান ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে। আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত শিক্ষক মোখলেসুর রহমান উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের মৃত খবির উদ্দিনের ছেলে। তিনি আজমপুর টেকনিক্যাল কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে যুবদল কর্মী মিজানের সঙ্গে ওই শিক্ষকের বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার দুপুরে কলেজের ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার পথে নওদা আজমপুর মোড়ে পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে অবস্থান করা মিজান ও তাঁর অনুসারী রনি, কামাল, ইন্টু, বিপ্লব, হাসান, সাগর, ময়ি খা ও মিঠুসহ কয়েকজন তাঁর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে শিক্ষককে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষক মোখলেসুর রহমান জানান, জমিজমা নিয়ে তাঁদের মধ্যে মামলা চলমান রয়েছে। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত মিজান তাঁর কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাঁকে এভাবে হামলা করা হয়েছে। পূর্বশত্রুতার জেরে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম শহীদ জানান, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে মোখলেস নামে এক কলেজ শিক্ষককে পেটানোর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আগে থেকেই জমি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে। আহত শিক্ষক বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!