ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে জমে থাকা পানি অপসারণের ওপর জোর দিয়েছে সরকার। বাসাবাড়ি, অফিস, জনসমাগমস্থলসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রতি শনিবার সমন্বিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সরকারের নির্দেশনায় এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থলকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাসাবাড়ি, অফিস, জনসমাগমস্থল ও অন্যান্য এলাকায় কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে।
সরকারি-বেসরকারি অফিস, বাজার, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, হোটেল ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব উদ্যোগে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলা হয়েছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু ওষুধ ছিটানোর ওপর নির্ভর না করে মশার বংশবিস্তার বন্ধ করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে নির্দেশনায়। এডিস মশা যাতে প্রজননের উপযোগী পরিবেশ না পায়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় পর্যায়ের কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত নজরদারি করতে হবে।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিজ নিজ এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে র্যালি, মাইকিং, সভা, সেমিনার ও প্রচার-প্রচারণা চালানোর কথা বলা হয়েছে।
এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মাধ্যমে সিভিল সার্জনদের প্রয়োজনীয় ওষুধ, সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থার কথাও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারের নির্দেশনার মূল লক্ষ্য হলো এডিস মশার প্রজননস্থল কমিয়ে আনা এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি মোকাবিলা করা।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!