ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ কর্মসূচি জোরদার করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে প্রতি শনিবার সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার পর বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় প্রতি শনিবারকে সমন্বিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন দিবস হিসেবে পালনের কথা বলা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা ও আশপাশের এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশক নিধন করলেই হবে না, এডিস মশার বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশও ধ্বংস করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বাসাবাড়ি, অফিস, জনসমাগমস্থল এবং অন্যান্য সম্ভাব্য প্রজননস্থলে জমে থাকা পানি অপসারণ ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় জনসচেতনতা বাড়াতে র‌্যালি, মাইকিং, প্রচার-প্রচারণা, সভা, সেমিনার ও আলোচনা সভার আয়োজনের কথাও বলা হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিজ নিজ এলাকায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ সচিবালয়ের সব ভবন ও আঙিনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধনসংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিষয়টি আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে তাদের অধীন দপ্তরগুলোতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মশার প্রজননস্থল কমানো, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত কার্যক্রম নিশ্চিত করা।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!