ফেনী, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (বিএসএস): এ বছর দেশের ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ। এরই মধ্যে পাইলট পর্যায়ে কৃষকদের ডেটাবেস তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।
ফেনী জেলার ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠানের স্থান পরিদর্শন শেষে বুধবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, পরীক্ষামূলক পর্বের উদ্বোধনী দিনে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় ১,০০,০৪৭ জন কৃষক কৃষি উপকরণ প্রণোদনা পাবেন। এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘পারিবারিক কার্ড, কৃষক কার্ড এবং মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের ব্যক্তিদের সম্মানী’ বিতরণ করবেন।
মন্ত্রী জানান, কৃষক কার্ডের প্রাক-পাইলট পর্ব সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর এ বছর পাইলট পর্যায়ে ৪৩ লাখ কৃষকের ডেটাবেস তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১,১০,১৬৫ জন কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হচ্ছে। তাদের মধ্যে আগামীকাল ১,০০,০৪৭ জন কৃষক কৃষি উপকরণ সহায়তা হিসেবে প্রত্যেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন।
ফেনী জেলার কৃষকদের জন্যও থাকছে কৃষক কার্ডের সুবিধা। মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার মোট ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কৃষক কার্ডের মুদ্রিত কপি পাবেন।
আগামীকালের কর্মসূচিতে দেশের ৫৬টি জেলার ৭৭টি উপজেলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি উপজেলায় সরাসরি সংযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি বাকি ৬৪টি উপজেলাতেও সংযোগ দেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের সব কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে কৃষকদের সরকারি সহায়তা ও কৃষি উপকরণ পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আমিনুর রশিদ বলেন, কৃষক কার্ড কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো কৃষকদের কৃষি উপকরণ ক্রয়ে সহায়তা দেওয়া এবং কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন সহায়তা আরও সহজে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের তথ্যভিত্তিক ডেটাবেস তৈরির পাশাপাশি ভবিষ্যতে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়াও আরও সুসংগঠিত হবে।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!