দেশে চলমান চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রতিবাদে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি পালন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে সঙ্গে নিয়ে ‘গণভিক্ষা ও পুনর্বাসন দানবাক্স’ কর্মসূচি পালন করেন তিনি।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল—‘ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, চাঁদাবাজি ছাইড়া দে’ এবং ‘ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও, চাঁদাবাজের আস্তানা’।

এর আগে সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ চাঁদাবাজির বিকল্প উদ্যোগ হিসেবে রাজধানীর বাংলামোটরে ‘পুনর্বাসন দানবাক্স’ স্থাপন ও গণভিক্ষা কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি জানান, বিকেল ৪টায় বাংলামোটরে বিশেষ এই দানবাক্স উন্মুক্ত করা হবে।

পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ‘১৭ বছর ধরে সরকারদলীয় অনাহারী নেতাকর্মীদের জন্য এবার গণভিক্ষা কর্মসূচি! ভিক্ষা দিন—আপনার ১ টাকাই হয়তো একজনকে চাঁদাবাজির পথ থেকে দূরে রাখবে।’

তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজির বিকল্প হিসেবে ‘পুনর্বাসন দানবাক্স’ চালু করা হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মাধ্যমে চাঁদাবাজির পথ থেকে মানুষকে দূরে রাখার বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। হাসনাত আবদুল্লাহর ঘোষণার পর কর্মসূচিটি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসে।

এনসিপির নেতাদের ভাষ্য, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি এবং এর বিকল্প হিসেবে প্রতীকীভাবে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তবে হাসনাতের ফেসবুক পোস্টে ‘১৭ বছর ধরে অনাহারী’ নেতাকর্মীদের যে দাবি করা হয়েছে, সেটি তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে।

চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যেই হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নেতৃত্বে এই প্রতীকী কর্মসূচি পালন করা হলো।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!