বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের নতুন সময়সূচি নির্ধারণে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, সফরটি নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনো সফরের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি।

এর আগে তারেক রহমানের ভারত সফরের একটি উদ্যোগ বাতিল হয়েছিল। এবার নতুন করে সফরের সময় নির্ধারণের প্রক্রিয়া এগোচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। নতুন বাংলাদেশের হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ অথবা নভেম্বরের শুরুতে দিল্লিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে আলোচনা আরও গতি পেতে পারে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সম্ভাব্য সফরের ক্ষেত্রে ঢাকা-নয়াদিল্লির মধ্যে অমীমাংসিত কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এর মধ্যে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি অন্যতম। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ইস্যু দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয় হয়ে রয়েছে।

এদিকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে তাকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিজের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া বার্তায় তিনি মোদির সুস্বাস্থ্য ও জনগণের সেবায় তাঁর অব্যাহত ভূমিকার জন্য শুভকামনা জানান। জবাবে মোদি তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।

এই শুভেচ্ছা বিনিময়কে ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগের সাম্প্রতিক একটি ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এটিই সফরের তারিখ দ্রুত চূড়ান্ত হওয়ার কারণ—এমন কোনো সরকারি বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সফরের সময়সূচি নিয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকেই এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ২৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, তখন পর্যন্ত সম্ভাব্য সফরের তারিখ নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং ভারতের ব্যস্ত কূটনৈতিক সূচির কারণে সফরের জন্য সময় নির্ধারণে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

এর মধ্যে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে আসাদ আলম সিয়ামের নিয়োগের বিষয়টি সামনে এসেছে। ভারতের অনুমোদন পাওয়ার পর তিনি দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। তিনি বর্তমান পররাষ্ট্রসচিব এবং এর আগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফলে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা থাকলেও এখন পর্যন্ত এটিকে সম্ভাব্য সময়সূচি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সফরের তারিখ, এজেন্ডা কিংবা দুই দেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হলে তখনই সফরের চূড়ান্ত চিত্র স্পষ্ট হবে।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!