দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি এলাকায় গোলাবর্ষণের সময় ইসরায়েলি বাহিনী ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (NNA)। শুক্রবারের হামলায় নাবাতিহ ও টায়ার জেলার বিভিন্ন এলাকা লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করা হয়।

NNA-র তথ্য অনুযায়ী, নাবাতিহ জেলার জওতার আল-শারকিয়াহ, মেফাদুন ও নাবাতিহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠে গোলাবর্ষণ করা হয়। নাবাতিহ আল-ফাওকার ওপর হামলায় ফসফরাস শেল ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পরে জওতার আল-শারকিয়াহ এলাকায় একই ধরনের অস্ত্র দিয়ে আবারও হামলা চালানো হয়।

এ ছাড়া টায়ার জেলার ওয়াদি জিবকিন এবং হারিস ও হাদাসার সীমান্তবর্তী এলাকাতেও ইসরায়েলি বাহিনী ভারী কামানের গোলা নিক্ষেপ করেছে বলে NNA জানিয়েছে।

হামলার পর লেবাননের সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল মারজায়ুন জেলার মাজদাল সেলম এবং বিনত জবেইল জেলার আল-ঘান্দুরিয়াহ এলাকা থেকে ইসরায়েলি হামলার অবশিষ্ট দুটি অবিস্ফোরিত বিমান বোমা শনাক্ত করে নিষ্ক্রিয় করেছে। পরে সেগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

লেবাননের কর্তৃপক্ষের হিসাবে, চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪ হাজার ৩৮৬ জন নিহত এবং ১২ হাজার ৪০৭ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এর আগে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতা হয়। এতে দক্ষিণ লেবাননের দখলকৃত এলাকা থেকে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং সেসব এলাকায় লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। একই সঙ্গে হিজবুল্লাহর অস্ত্রসংক্রান্ত শর্তও আলোচনায় ছিল। তবে ওই সমঝোতার পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান ও কামান হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!