১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সহকারী জজ (সিভিল জজ) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ১৯ শিক্ষার্থী। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রকাশিত ফলাফলে তাদের সাফল্যের বিষয়টি জানা যায়। এ পরীক্ষায় সারাদেশ থেকে মোট ২০০ জনকে এ পদে সুপারিশ করা হয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম রয়েছেন। ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন আসিফ ইসলাম ও শফিক শোভন। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিয়া আফরিন, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের হুমায়ন কবির ও সালমা খাতুনও রয়েছেন তালিকায়।

এ ছাড়া আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শারমিন খাতুন, শাকির আলম, মেহবুবা মোহিনী, মো. রফিকুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন ও ইয়াসমিন খাতুন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের লিখন এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আমজাদ হোসেনও এ তালিকায় রয়েছেন।

ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তৌহিদুল ইসলাম ও এ এইচ হাবিব, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নুসরাত জাহান তানী এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রুকনুজ্জামান রায়হান সহকারী জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাজু আহমেদও এ সাফল্য অর্জন করেছেন। তিনি মেধাতালিকায় ২৬তম স্থান অর্জন করেছেন।

নিজের সাফল্যের বিষয়ে রাজু আহমেদ বলেন, অনার্সের ফল প্রকাশের আগেই তিনি বিজেএস পরীক্ষায় আবেদন করেছিলেন। বর্তমানে তাঁর মাস্টার্সের পড়াশোনা চলমান। এমন সাফল্য পাবেন বলে তিনি এতটা আশা করেননি।

রাজু আহমেদ বলেন, এই অর্জনের জন্য তিনি মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই একদিন বিচারক হয়ে দেশ ও মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার কাজে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা ছিল তাঁর। এ ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যরাও তাঁকে উৎসাহ দিয়েছেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক বিভাগ থেকে একই পরীক্ষায় ১৯ শিক্ষার্থীর সুপারিশপ্রাপ্তির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাফল্যের বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!