খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতালগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় শয্যা, চিকিৎসাসামগ্রী ও ব্যবস্থাপনা প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত খুলনা বিভাগের ডেঙ্গু পরিস্থিতি, চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, মশক নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যালোচনা সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা এবং মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় জানানো হয়, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হাসপাতালটিতে প্রয়োজনীয় শয্যা ও চিকিৎসাসামগ্রী প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়।

ডেঙ্গু চিকিৎসায় চিকিৎসক ও নার্সদের দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও সভায় গুরুত্ব পায়। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। উপজেলা পর্যায়েও ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কার্যক্রম সমন্বয়ের কথা বলা হয়।

সভায় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের বিষয়টিও উঠে আসে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের আশপাশে পানি জমে থাকা এবং মশার প্রজননের সুযোগ তৈরি হয়—এমন স্থানগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখার বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে মশক নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলাকে শুধু রোগীর চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন এবং কার্যক্রমের যথাযথ নথিপত্র সংরক্ষণের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে – ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!