শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক কাজে ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনার ব্যবহার বাড়ছে। আগস্ট ২০২৬ মাসে আটটি শাখা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট নথি নিষ্পত্তির হার ১০০ শতাংশ হলেও ডি-নথিতে নিষ্পত্তির হার ছিল ৭১ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
মন্ত্রণালয়ের আগস্ট মাসের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় সভার কার্যপত্রে ডি-নথি বাস্তবায়ন কার্যক্রমের অগ্রগতিতে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
কার্যপত্রে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের সব শাখায় দাপ্তরিক কার্যক্রমে ডি-নথির ব্যবহার ন্যূনতম ৮০ শতাংশ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ডি-নথিতে নিষ্পত্তিযোগ্য সব নথি ও পত্র অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করার নির্দেশনা রয়েছে।
এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের সব শাখায় চিঠি পাঠানো হয়েছে। আইসিটি সেল থেকে ডি-নথিতে নিষ্পত্তিযোগ্য নথি ও পত্র অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। অন্য শাখাগুলোর প্রয়োজন অনুযায়ী কারিগরি সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।
কার্যপত্রের তথ্যে দেখা যায়, আগস্ট মাসে হার্ডফাইলে পাওয়া ডাক ফ্রন্ট ডেস্কের মাধ্যমে ১০০ শতাংশ আপলোড করে ডি-নথির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আটটি শাখা থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম ডি-নথিতে সম্পাদনের তথ্য আইসিটি সেলে পাঠানো হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোট নথি নিষ্পত্তির হার ১০০ শতাংশ। তবে ডি-নথিতে নিষ্পত্তির হার ৭১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ডি-নথিতে নথি ও চিঠিপত্র নিষ্পত্তির অগ্রগতি নিয়মিতভাবে আইসিটি সেলকে অবহিত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
এদিকে মন্ত্রণালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমেও ডি-নথি ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ ক্যালেন্ডারে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রণীত প্রশিক্ষণ মডিউল পর্যালোচনা করে GPMS, নতুন শ্রম আইনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে।
মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নিয়মিত তথ্য বাতায়ন হালনাগাদ করার কথাও কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। আইসিটি সেল থেকে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
দাপ্তরিক নথি ব্যবস্থাপনায় কাগজনির্ভর প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ডিজিটাল ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ানোর এই কার্যক্রমের অগ্রগতি পরবর্তী সমন্বয় সভাতেও পর্যালোচনা করা হবে। নথিতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত ন্যূনতম ৮০ শতাংশ ডি-নথি ব্যবহারের লক্ষ্যের তুলনায় আগস্টে নিষ্পত্তির হার ছিল ৭১ দশমিক ৬৪ শতাংশ।