ভূমি জরিপ শুরুর আগে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারদের পাঠানো গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুমোদন ও প্রকাশের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠাতে সর্বোচ্চ সাত দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের ২০২৬–২০২৭ সালের সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতিতে ভূমি জরিপ শুরুর আগের গেজেট-সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার সময়সীমা উল্লেখ করা হয়েছে। চার্টারে বলা হয়েছে, জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারদের কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পাওয়ার পর সাত দিনের মধ্যে প্রস্তাব ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা।
এ সেবার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হিসেবে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার কর্তৃক পাঠানো সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় নথি পাওয়ার পরই নির্ধারিত সময় গণনা করার বিষয়টি চার্টারে দেওয়া প্রক্রিয়া থেকে বোঝা যায়।
এ সেবার জন্য কোনো নির্ধারিত ফি নেই। চার্টারে সেবামূল্য ও পরিশোধের ঘরে ‘প্রযোজ্য নয়’ উল্লেখ করা হয়েছে। একইভাবে নির্ধারিত আবেদন ফরমের বিষয়েও আলাদা কোনো ফরমের কথা বলা হয়নি।
এই সেবার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে উপপরিচালক (সেটেলমেন্ট অপারেশন-১/২)-এর তথ্য দেওয়া হয়েছে। তাঁর কক্ষ নম্বর ৮১৫ এবং ফোন নম্বর ৪১০২৪৬১২। ই-মেইল হিসেবে ddso2@dlrs.gov.bd উল্লেখ করা হয়েছে।
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচালক (ভূমি রেকর্ড)-এর তথ্যও চার্টারে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কক্ষ নম্বর ৮১৬ এবং ফোন নম্বর ৪১০২৪৬০৫। ই-মেইল dlr@dlrs.gov.bd।
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের সিটিজেনস চার্টারে ভূমি জরিপ-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশাসনিক ও কারিগরি সেবার আলাদা সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে জরিপ শুরুর আগে গেজেট বিজ্ঞপ্তির প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য সাত দিনের সময় উল্লেখ করা হয়েছে।
চার্টারে আরও দেখা যায়, জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারদের কাছ থেকে পাঠানো চূড়ান্ত প্রকাশিত মৌজার গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তাব অনুমোদন ও প্রকাশের জন্যও সাত দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফলে ভূমি জরিপের আগে এবং জরিপ-পরবর্তী গেজেট-সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে অধিদপ্তরের নির্ধারিত সেবা সময়সীমার মধ্যে সাত দিনের একটি সময়কাল রাখা হয়েছে। তবে প্রতিটি ধাপের প্রক্রিয়া আলাদাভাবে উল্লেখ রয়েছে।
২০২৬–২০২৭ সালের সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ভূমি জরিপ শুরুর আগে গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুমোদন ও প্রকাশের জন্য প্রস্তাব পাঠানোর দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পাওয়ার পর সর্বোচ্চ সাত দিন সময় নির্ধারিত রয়েছে।