ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাবেক যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক এবং খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা শাখার তৎকালীন সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি দীর্ঘ লিখিত বক্তব্য প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলা সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, পক্ষপাতিত্ব, সাংগঠনিক কর্তৃত্বের অপব্যবহার ও দ্বৈত নীতিসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন।

লিখিত বক্তব্যে আব্দুল ওয়াহেদ দাবি করেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সংগঠনের ক্ষতির আশঙ্কায় তিনি নীরব ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নেতাকর্মীদের হতাশা, দলত্যাগ ও সাংগঠনিক সংকটের প্রেক্ষাপটে বিষয়গুলো প্রকাশ করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, শালবাগানের এক দায়িত্বশীল নেতা গ্রেফতার হওয়ার পর বিএনপির এক নেতার দেওয়া ২ হাজার টাকা ভুক্তভোগীর কাছে পৌঁছায়নি। এছাড়া আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরণে শ্রমিকদের মজুরি, জেলা প্রশাসনের সচেতনতামূলক প্রচারণার অর্থ এবং দলীয় কর্মসূচিতে অতিরিক্ত বাস ও লঞ্চ ভাড়া আদায়ের অর্থ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন।

বক্তব্যে আরও বলা হয়, মাটিরাঙ্গায় ইসলামী যুব আন্দোলনের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জেলা সভাপতির হস্তক্ষেপে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে জেলা যুব সভাপতির সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি একটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বহাল রাখার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আব্দুল ওয়াহেদ তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন, এসব অভিযোগ কোনো ব্যক্তিকে হেয় করার উদ্দেশ্যে নয়; বরং সংগঠনের আমানতদারিতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার স্বার্থে তিনি বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি প্রতিটি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্ত ও অভিযোগকারীর বক্তব্য গ্রহণ, আর্থিক হিসাব ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে সত্যতা নির্ধারণের আহ্বান জানান।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!