দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে আবারও বড় ধরনের পতন হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ ১১ সেপ্টেম্বর স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে কমানো হয়েছে রুপার দামও। নতুন এই দর শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ১২ সেপ্টেম্বরেও এ দামেই স্বর্ণ ও রুপার গহনা বিক্রি হওয়ার কথা।
সর্বশেষ সমন্বয়ের পর সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। আগের দর ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। অর্থাৎ এক ধাক্কায় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমেছে।
১২ সেপ্টেম্বর স্বর্ণের বর্তমান দর
বাজুসের সর্বশেষ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি অন্যান্য মানের স্বর্ণেও কমেছে দাম। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ এখন ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের এক ভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা দরে। সবগুলো দরই ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের মান প্রতি ভরি দাম
২২ ক্যারেট ২,৩১,৮৮০ টাকা
২১ ক্যারেট ২,২১,৪৪১ টাকা
১৮ ক্যারেট ১,৯০,১২৩ টাকা
সনাতন পদ্ধতি ১,৫৫,৩০৬ টাকা
কমেছে রুপার দামও
শুধু স্বর্ণ নয়, সর্বশেষ সিদ্ধান্তে রুপার দামও কমিয়েছে বাজুস। ২২ ক্যারেট রুপার এক ভরির নতুন দাম ৫ হাজার ১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৭৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৯১ টাকা দরে বিক্রি হবে।
রুপার মান প্রতি ভরি দাম
২২ ক্যারেট ৫,০১৬ টাকা
২১ ক্যারেট ৪,৭৮২ টাকা
১৮ ক্যারেট ৪,০৮২ টাকা
সনাতন পদ্ধতি ৩,০৯১ টাকা
এক সপ্তাহে দুই দফায় কমল স্বর্ণ
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের স্বর্ণের বাজারে পরপর কয়েক দফা দাম সমন্বয় করা হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা করা হয়েছিল। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর আরও ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে দাম নামানো হয় ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকায়। সর্বশেষ ১১ সেপ্টেম্বর আবার ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে কয়েক দিনের ব্যবধানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে মোট ৫ হাজার ৩২৪ টাকা কমেছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা খাঁটি স্বর্ণের দামের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সর্বশেষ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দর পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
গহনা কিনলে আরও কিছু খরচ থাকবে
বাজুস নির্ধারিত এসব দাম মূলত স্বর্ণ ও রুপার ঘোষিত বিক্রয়মূল্য। গহনা তৈরির সময় নকশা ও কাজের ধরন অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হতে পারে। তবে ভ্যাট বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে একই ভ্যাট আলাদাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। গহনার সঙ্গে পাথর বা অন্যান্য উপকরণ থাকলে সেগুলোর খরচ আলাদাভাবে প্রযোজ্য হতে পারে।
সুত্র: বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!