জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ ও শিল্পকারখানার মালিকদের কষ্টের কথা স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকার এই সংকট অস্বীকার করছে না। সংকট মোকাবিলায় একটি কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে দেশের মানুষকে আর এমন সমস্যায় পড়তে না হয়।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো জ্বালানি সংকট। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সমস্যার কারণে সাধারণ মানুষ এবং শিল্পকারখানার মালিকরা ভোগান্তিতে আছেন।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের রেখে যাওয়া সমস্যাকে শুধু অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করতে চান না। বরং বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে একই ধরনের সংকট তৈরি না হয়।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছে। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতের সমস্যাও মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, চলমান আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবও দেশের ওপর পড়ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়লেও জনগণের ওপর চাপ কম রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতির কারণে শেষ পর্যন্ত জ্বালানির দাম কিছুটা বাড়াতে হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে গণতান্ত্রিক নীতি-নৈতিকতা অনুসরণ করা হবে। তবে কেউ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইলে দেশের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিএনপি নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে বলে জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’, ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনদের সহায়তা এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে কাজ শুরু হয়েছে।
এছাড়া গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!