বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে নিজেদের ওষুধের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের সহযোগিতা চেয়েছে ফিলিপাইন। একই সঙ্গে দুই দেশের বাণিজ্যিক ও জনসম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঢাকা-ম্যানিলা সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত নিনা পাদিলা কেইংলেট।

বুধবার ঢাকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত। বৈঠকে দুই দেশের স্বাস্থ্য খাতের সহযোগিতা, ওষুধশিল্প এবং নার্সিং শিক্ষাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কারে কাজ করছে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করে স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান পরিস্থিতি ও বাস্তব চিত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, হাসপাতালগুলোতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজনের মাধ্যমে দেশের চিকিৎসাসেবার মান উন্নত বিশ্বের পর্যায়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে নার্সিং শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং এ খাতে দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক নিয়েও আলোচনা হয়। দুই দেশের স্বাস্থ্য খাতে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতার সম্ভাবনাও গুরুত্ব পায়।

ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পাদিলা কেইংলেট বলেন, দেশটির মোট ওষুধের প্রায় ৬৭ শতাংশ পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আমদানি করতে হয়। এ নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশের শক্তিশালী ওষুধশিল্পকে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ফিলিপাইনের ওষুধের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।

এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ঢাকা ও ম্যানিলার মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি। তাঁর মতে, সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন ও জনসম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!